এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

আয় করার নির্ভরযোগ্য ৫টি উপায়

গুগলে সার্চ দিলে টাকা আয় করে ধনী হবার অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। 

কিন্তু অনলাইনে ইনকাম করে তাদের জীবন ধারাও পাল্টাতে শুরু করেছে। সারাক্ষণের সঙ্গী হাতের স্মার্টফোন বা মুভি দেখার কম্পিউটার টাই যদি হয়ে যায় আপনার উপার্জনের মাধ্যম, তাহলে নিশ্চয় মন্দ হয় না। আর আপনি যদি পরের অধীনে কাজ না করে স্বাধীন ভাবে আয় উপার্জন করতে চান তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য এই লেখাটি হতে পারে সঠিক দিক নির্দেশনা।

নীচের অনলাইনে আয় করার সেরা 5টি উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল। তাই ইন্টারনেটে টাকা ইনকাম করতে চাইলে দেখে নিন আয় করার নির্ভরযোগ্য ৫ টি উপায়ঃ

১) অ্যাডসেন্স এবং অন্যান্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক থেকে আয়

অ্যাডসেন্সের নিয়মকানুন এবং গাইডলাইন সঠিকভাবে অনুসরণ করলে সহজেই অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভড করে সঠিকভাবে বিজ্ঞাপন শো করিয়ে টাকা উপার্জন করা সম্ভব। আর গুগল অ্যাডসেন্স বর্তমান সময়ের অত্যন্ত কার্যকরী ও বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যার মাধ্যমে বিশ্বের বড়-বড় ব্লগার ও ওয়েব মাস্টাররা তাদের ব্লগ/ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে টাকা আয় করে থাকেন।

সারা পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট ওনার তাদের সাইট দিয়ে মাসে হাজার থেকে লক্ষ ডলার ইনকাম করছে। গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করতে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে (অবশ্য চাইলেই যে কেউ এখন নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারে) এবং কিছু ট্রিকস অবলম্বন করে ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিক বা ভিজিটর আনতে হবে তাহলে আপনি গুগল অ্যাডসেন্স এবং অন্যান্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

অনলাইনে প্যাসিভ ইনকামের এটাই সবথেকে দীর্ঘস্থায়ী উপায়। আপনার যদি ভাল কন্টেন্ট সমৃদ্ধ একটি ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট থাকে তবে আপনার অনলাইন ইনকাম চলতেই থাকবে। কিছুদিন আগেও বাংলা ওয়েবসাইট বা ব্লগে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন ছিল না। কিন্তু গত বছর থেকে গুগল তাদের অ্যাডসেন্সে বাংলা ভাষা তালিকা ভুক্ত করার যে কেউ তার বাংলা ওয়েবসাইট বা ব্লগ দিয়েই টাকা ইনকাম করতে পারে।

এছাড়া অন্যান্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক যেমন মিডিয়া.নেট, বিডভারটাইজার, ইনফোলিংকস, অ্যাডভার্সাল মাধ্যমে আপনার সাইটে অ্যাড দিয়ে ইনকাম করতে পারেন।

২) ফ্রিল্যান্সার করে আয় করুন

এডসেন্স এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং এর পরে অনলাইন ইনকামের আরেকটি জনপ্রিয় উপায় হল ফ্রিল্যান্সিং। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনি অস্থায়ী ভাবে পৃথিবীর নানা প্রান্তের বিভিন্ন ছোট/বড় সংস্থাগুলির সাথে কাজ করতে পারেন এবং তাদেরকে সেবা প্রদান করতে পারেন।

আপনি যে কাজে দক্ষ তার উপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে মাসে $৫০০ থেকে $২০০০+ পর্যন্ত আয় করত পারেন।

কন্টেন্ট লেখা, ওয়েব ডিজাইনার, গ্রাফিক ডিজাইন বা এসইও, ডেটা এন্ট্রি, এপস ডেভেলপমেন্ট এবং আরো অনেক ধরনের কাজ করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করার জন্য আপনি  ইল্যান্সারফ্রিল্যান্সার ডট কমওয়ার্ক এন্ড হায়ারআপ ওয়ার্কপিপল পার আওয়ার এই ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোর যেকোন এক বা একাধিক সাইটে সাইনআপ করে কাজ শুরু করতে পারেন। তবে একটা কথা বলি যে কোন একটা কাজে দক্ষ হয়ে কাজ শুরু করুন। তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনার সফলতা কেউ আটকাতে পারবে না।

৩) ক্যাপচা সলভ করে আয়

আপনার যদি হাতে আরও বেশি সময় থাকে তবে আপনি ক্যাপচা সলভার(captcha solver) হিসাবে অনলাইনে আরও বেশি ইনকাম করতে পারবেন। আর ক্যাপচা সলভার অনলাইন অর্থ উপার্জন সবচেয়ে সহজ উপায় গুলোর অন্যতম একটি কাজ।

একজন ক্যাপচা solver হিসাবে, আপনাকে ক্যাপচার ইমেজ পড়ে বুঝতে হবে এবং সঠিক অক্ষর বা চিহ্ন লিখতে হবে। ভাল আয়ের জন্য আপনাকে খুব দ্রুতই টাইপ করতে জানতে হবে।আপনি প্রতি ১০০০ ক্যাপচা সমাধান করে $ ২ পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি যদি ক্যাপচা সমাধান করতে আগ্রহী হন তবে Kolotibablo, MegaTypers, CaptchaTypers, ProTypers, Captcha2Cash, 2Captcha, Qlinkgroup, VirtualBee, FastTypers, PixProfit, এই  ক্যাপচা সাইট গুলোতে সাইনআপ করে কাজ শুরু করতে পারেন।

৪) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম

যদি আপনি অনলাইনে টাকা উপার্জনের ক্ষেত্রে খুব সিরিয়াস হয়ে থাকনে এবং যদি পরিশ্রমী আর ধরজশীল মানুষ হন তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আনলিমিটেড ইনকাম করতে পারবেন।

অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় মানুষ এখন বেশি অনলাইন শপিং করছে। আর এই অনলাইন শপিংয়ের ঊর্ধ্বমুখী বিকাশের কারণেই আগের তুলনায় এফিলিয়েট মার্কেটিং করে উপার্জন করার সুযোগ বেড়েছে।ফ্লিপকার্ট, আমাজন, ইবে, ক্লিক ব্যাঙ্ক, সিজে, আলিবাবা ইত্যাদি শত শত অনলাইন মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে আপনি অনলাইনে তাদের পন্যের প্রচার করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সঠিক পণ্য কেনার জন্য গ্রাহকদের সহায়তা করতে পারেন। পরিবর্তে উক্ত পণ্যের বিক্রয়ের উপর পন্য এবং মার্কেট প্লেস ভেদে আপনি ৪% থেকে ২০% পর্যন্ত কমিশন উপার্জন করতে পারেন।

ওয়ার্ডে এখন এমনও এফিলিয়েট মার্কেটার আছেন যারা প্রতি মাসে হাজার হাজার নয় লক্ষ লক্ষ ডলার ইনকাম করছেন।

৫) এসইও করে আয় করুন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও(SEO) হল অনলাইনে সর্বাধিক জনপ্রিয় একটি কাজ। আপনি যদি এসইও কাজ পারেন তবে আপনাকে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না।

অনলাইনে হাজার হাজার ওয়েবসাইট এবং কোম্পানি আছে যারা এসইওতে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার খরচ করে যাতে তাদের ওয়েবসাইটের কীওয়ার্ড গুগল বা অন্য সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে প্রথম দেখায়।

আপনি এসইও কাজ শিখতে চাইলে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা এসইও কাজ শেখায় তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আর নিজে নিজে শিখতে চাইলে ইউটিউবে এবং গুগলে হাজার হাজার লেখা আছে সেগুলো দেখে শিখতে পারেন।

কিভাবে ইউটিউব থেকে সহজে আয় করবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম হালাল না হারাম।

অনলাইন থেকে ইনকাম করার সঠিক গাইডলাইন। ১০০% কার্যকরী পোস্ট!

ইউটিউবে খেলনা দেখিয়ে কোটিপতি ছয় বছরের রায়ান

Comments (No)

Leave a Reply