আউটসোর্সিং কি?

কেউ যদি ঘরে বসেই কাজ করে আয় করতে পারে তবে সেটাই আউটসোর্সিং। যে কাজ দিচ্ছে তার সাথে আপনার সরাসরি কোন যোগাযোগ নাও থাকতে পারে বা সে বাহিরের কোন দেশে বসেই কাজ দিচ্ছে এবং আপনি এখানে বসে কাজগুলো করে দিচ্ছেন বিনিময়ে সে অর্থ দিচ্ছে। এক্ষেত্রে শুধু ঘরে বসেই যে কাজগুলো করতে হয় তা কিন্তু নয় আপনার বাসা অথবা অফিস থেকেই কাজ করতে পারছেন। আর এই যে বাহির থেকে কাজের বিনিময়ে অর্থ আসছে এটাকেই আউটসোর্সিং বলে।

তাহলে দেখা যাচ্ছে আউটসোর্সিং মানে হচ্ছে ঘরে বসে বাহিরের কাজ বা দেশে বসে বিদেশের কাজ। এটা স্বাধীনভাবেও হতে পারে বা জব হিসেবেও হতে পারে। যদি স্বাধীনভাবে হয় তাহলে এটা ফ্রীল্যান্সিং। তখন আপনি আপনার সুবিধামত কাজ করবেন। কিন্তু যদি জব হয় তাহলে তাদের ইচ্ছে মতো কাজ করতে হবে।

যেমন ধরেন, আপনি বাংলাদেশে বসে আমেরিকার একটা কোম্পানির কাস্টমার সার্ভিসের জব নিলেন। চুক্তি হলো নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন ৬ ঘন্টা কাস্টমার সার্ভিস দিতে হবে। তাহলে কিন্তু আপনাকে তাদের বেধে দেয়া সময়েই কাজ করতে হবে এবং আপনি ইচ্ছে হলে একদিন কাজ করলেন আরেকদিন করলেন না এমন করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে আপনি আউট সোর্সিং করছেন  কিন্তু আপনি ফ্রীল্যন্সার না।

 

পেশা হিসেবে আউটসোর্সিং:

সারা দুনিয়ায় এখন আউটসোর্সিং খুবই জনপ্রিয়। যারা কাজ করায় এবং যারা কাজ করে উভয়েরপক্ষের সুবিধা। যারা কাজ করায় তারা তুলনামূলক কম খরচে দক্ষ লোক পাচ্ছে এবং সময়মতো কাজ করাতে পারছে। অন্যদিকে যারা আউটসোর্সিং করছেন তারাও ঘরে বসে তাদের যোগ্যতা অনুসারে সর্বাধিক আয় করতে পারছেন।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে  ১৮/১৯ বছর পড়াশোনা করে ৩০/৪০ হাজার টাকার চাকরির জন্য আবার ১০/১২ লাখ টাকা  ঘুষ দেয়ার কথা অহরহ শুনছি। অথচ কোনরকম মামু খালু বা ঘুষ ছাড়াই অনলাইনে স্বাধিনভাবে কাজ করে সহজেই মাসে ১/২ লাখ টাকা ইনকাম করছে এরকম মানুষের সংখ্যা একেবারে কম নয়।

আপনি কোথায় এবং কিভাবে আউটসোর্সিং করবেন তা জানার আগে চলেন জেনে নেই ফ্রীল্যান্সিং কি?

 

 

আমাদের লেখা ভাল লাগলে অবশ্যই এটা শেয়ার করবেন।  এর দ্বারা যেমন অন্যরা উপকৃত হবে তেমনি আমরা পরবর্তীতে লিখতে উতসাহিত হবো।

 

আরো পড়ুন:

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

কিভাবে নিজের ওয়েব সাইট তৈরি করে মাসে লাখ টাকা কামাবেন?