এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

10 হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করুন খুব সহজে – (১৭ ব্যাবসার আইডিয়া)

10 হাজার টাকায় ব্যবসা করুন – আপনাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন, যারা নিজের একটি ব্যবসা (business) করতে চান। কিন্তু, টাকার অভাবে হয়তো অনেকেই নিজের business শুরু করতে পারছেননা।

তবে মনে রাখবেন, আপনারা চাইলে খুব সহজেই অনেক কম টাকায় ব্যবসা আরম্ভ করতে পারবেন। এবং এই উদ্দেশ্যেই, আমি আপনাদের নিচে, “১৭ টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া” দিবো যেগুলি 10 হাজার টাকায় শুরু করতে পারবেন।

হে, এমন ২৫ টি ব্যাবসার বিষয়ে আমি বলবো, যেগুলি অনেক সহজে কেবল ১০ হাজার টাকা দিয়েই আপনারা চালু করতে পারবেন।

তবে, প্রথম অবস্থায় এই ব্যবসা গুলি ছোট্ট পর্যায় থাকতে পারে যদিও সঠিক ভাবে এবং আগ্রহ দিয়ে কাজ করলে, এই ছোট ব্যবসা গুলি একটি বরো ব্যবসাতে পরিণত হতে পারে।

কলেজে পড়া ছাত্ররা, মহিলারা বা যেকোনো ব্যক্তি যে অনেক কম টাকায় ভাল ব্যবসা করতে চাচ্ছেন, তারা এই ধরণের বিসনেস (business) করে, part-time বা full-time income করতে পারবেন।

তাহলে চলুন, নিচে আমরা জেনেনেই, ১০ হাজার টাকায় কি কি লাভজনক ব্যবসা আমরা করতে পারবো।

কেবল 10 হাজার টাকায় ভাল ব্যবসার আইডিয়া 

যখন, কম টাকায় ভালো ব্যবসা করার কথা আসে, তখন আমাদের মনে দুটি প্রশ্ন অনেক জ্বালাতন দেয়।

যদি আপনার পকেটে কমেও ১০ হাজার টাকা রয়েছে, তাহলে শুরু করতে পারবেন এই ১৭ রকমের ছোট ব্যবসার থেকে যেকোনো একটি বিসনেস (small business)।

১০ হাজার টাকার মধ্যে ১৭ টি ব্যবসার ধারণা 

নিচে বলা ব্যবসা গুলির মধ্যে, আপনার যেটা করতে সুবাধে এবং ভালো লাগে আপনি সেটা করতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন, একটি ব্যবসা শুরু করার আগেই, সেই বিষয়ে পুরো প্লানিং (planning) এবং কিভাবে কি করবেন, সবটাই ভেবে রাখতে হবে।

১. Travel agency business

এমনিতে ট্রাভেল এজেন্সী ব্যবসা (travel agency business) গত কিছু বছর থেকেই অনেক দ্রুত পরিমানে এগিয়ে এসেছে। কারণ, প্রত্যেক দিন কোননা কোনো লোক বাইরে ঘুরার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জায়গার flight ticket, train ticket, hotel booking বা সম্পূর্ণ holiday trip book করেন।

তাই, যদি আপনারা travel agency agent হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে সুযোগ আছে যে আপনার ব্যবসা দ্রুত গতিতে সফল হবে।

আজ কারো কাছেই সময় নেই। এবং, tickethotel booking এর উদ্দেশ্যে লোকেরা একজন ট্রাভেল এজেন্ট কে অবশই খুজেঁন।

অবশই, এই ব্যবসা আপনারা অনেক কম টাকায় চালু করতে পারবেন। এবং, এমন জায়গায় ব্যবসাটি করবেন, যেখানে আগের থেকে কোনো অন্য travel agency নেই।

২. Start blogging business 

আমি আপনাদের সব সময় বলি, ঘরে বসে অনলাইন ব্যবসা করার সব থেকে ভালো ও লাভজনক উপায় হলো blogging.

ব্লগিং এর মাধ্যমে আমি নিজে কেবল দিনে ২ ঘন্টা কাজ কোরে এতো টাকা আয় করছি যতটা আমি আমার full-time job থেকেই পাচ্ছিনা।

আমার জন্য ব্লগিং, কম টাকায় অনেক ভালো ব্যবসা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

আজ, হাজার লক্ষ লোকেরা কেবল ব্লগিং করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা অব্দি টাকা ইনকাম করছেন।

তবে, ব্লগিং হলো একটি অনলাইন ব্যবসা এবং ব্লগ তৈরি করে টাকা আয় করার জন্য আপনাদের কেবল একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন এর প্রয়োজন হবে।

তাছাড়া, এই অনলাইন ব্যবসাতে প্রথম অবস্থায় বছরে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। তবে, সম্পূর্ণ ফ্রীতে ব্লগ চালু করাটাও সম্ভব।

আজ blogging, সম্পূর্ণ professional business হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

এবং, blogging এ ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারলে, একটি extra income source আপনার কাছে সব সময় থাকবে।

৩. Mobile & laptop repairing shop 

আজ, প্রত্যেকের ঘরে একটি smartphone, computer বা laptop রয়েছে। এবং এই ধরণের electronics অনেক সহজেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার সুযোগ অনেক বেশি।

তাই, একটি ছোট দোকান নিয়ে এবং কিছু জরুরি tools বা equipment কিনে নিজের একটি mobile বা computer repairing business অবশই চালু করতে পারবেন।

এই ব্যবসার লাগত অনেক কম। কেবল, একটি ছোট দোকান নিতে হবে যেটা আপনারা যেকোনো জায়গায় নিতে পারবেন।

তারপর, বাকি সবটাই আপনার নিজের ওপরে। আপনি, কিভাবে এবং কি কি electronics কত বেশি পরিমানে ভালো করতে পারবেন তার ওপরেই নির্ভর করবে আপনার ইনকাম।

তবে, যদি আপনি কম্পিউটার বা মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ জানেননা, তাহলে খুব সহজে আপনার আসে পাশে থাকা যেকোনো institute থেকে শিখে নিতে পারবেন।

নতুন করে কাজ শিক্ষার জন্য ২ থেকে ৩ মাসের সময় আপনার দিতে হবে।

৪. Mobile recharge shop 

আজকাল একটি মোবাইল ফোন সবাইর কাছেই রয়েছে। এবং, মোবাইল রিচার্জ (mobile recharge) করার প্রয়োজনীয়তা ও মোবাইল ব্যবহার কারীদের রয়েছে।

তাই, একটি ভিড় ভার থাকা জায়গায় ছোট দোকান নিয়ে, কিছু জনপ্রিয় কোম্পানির মোবাইল রিচার্জ কার্ড বিক্রি করলেও ভালো পরিমানে কমিশন (commission) আয় করতে পারবেন।

মোবাইল রিচার্জ ব্যবসা এমনিতে অনেক কম টাকায় শুরু করতে পারবেন। ভালো করে প্ল্যানিং করলে ১০ হাজার টাকার মধ্যে এই ব্যবসা শুরু করা যাবে।

এবং, অধিক পরিমানে রিচার্জ কার্ড (recharge card) বিক্রি করতে পারলে, ইনকামের পরিমান অনেক ভালো।

৫. Sell On Online Marketplace 

অনলাইন মার্কেটপ্লেস, এমন এক মাধ্যম বা প্লাটফর্ম যেখানে যেকোনো ব্যক্তি নিজের product অনলাইন বিক্রি করতে পারবেন।

যেরকম, Amazon, Flipkart, Snapdeal এগুলি সব অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে হাজার হাজার লোকেরা নিজে নিজের পণ্য অনলাইন লোকেদের বিক্রি করছেন।

আপনি নিজের দেশের সেরা কিছু online marketplace এর ব্যাপারে খোঁজ করুন। তারপর সেখানে একটি একাউন্ট তৈরি করে যেকোনো জিনিস অনলাইন বিক্রি করতে পারবেন।

তবে, কোন জিনিস বিক্রি করবেন সেটা আগেই ভেবে নিবেন। লোকেদের চাহিদা এবং অধিক লাভ নিয়ে নিতে পাড়া প্রোডাক্ট বেঁচে নিবেন।

আপনি, নিজের জায়গার যেকোনো লোকাল wholesaler বা manufacturer থেকে ১০০০০ টাকার জিনিস কিনে নিয়ে তারপর সেগুলি অনলাইন বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।

মার্কেটপ্লেস গুলিতে সহজে বিক্রি হওয়া কিছু প্রডাক্ট হলো – শাড়ী, অন্যান্য কাপড়, electronic item, মেয়েদের সাজার জিনিস, ঘরে সাজানো জিনিস, gifts এবং আরো অনেক।

৬. Gota masala supply business 

আজকাল প্রত্যেক দোকানেই গোটা মশলা রাখে। এবং, প্রত্যেক দিন আমাদের ঘরে খাবার বানানোর সময় গোটা মশলার প্রয়োজন অবশই হয়।

তাই, আপনি যদি কম টাকায় নিজের প্রডাক্ট নিয়ে বিসনেস করতে চাচ্ছেন, তাহলে গোটা মশলার ব্যবসা অনেক লাভজনক হতে পারে।

আপনি বিভিন্ন গোটা মশলা যেমন, ৫ ফোড়ন, এলাচি, তেজপাতা, লং, সোর্স এবং আরো অনেক ধরণের মশলার ১০০ গ্রাম, ২০০ গ্রাম এবং ৫০ গ্রাম প্যাকেট বানিয়ে দোকানে দোকানে সাপ্লাই (supply) করতে পারবেন।

জানি, শুনতে অল্প আলাদা আলাদা লাগছে। তবে, অধিক পরিমানে এই মশলার প্যাকেট দোকানে দোকানে বিক্রি করতে পারলে, লাভের সুযোগ অনেক।

গোটা মশলার ব্যবসাতে টাকা কম লাগলেও, এই বিসনেসে লাভ অনেক বেশি।

৭. Food stall business 

আজকাল রাস্তাঘাটে আপনারা অনেক ধরণের food stall অবশই দেখেছেন। মানে, footpath এর সামনে ছোট একটি দোকান যেখানে বিভিন্ন রকমের খাবার পাওয়া যাচ্ছে।

যেমন, চপ, সিঙ্গারা, রোল, মোমো, নুডলস এবং আরো অনেক ধরণের খাবার।

এই ধরণের একটি খাবার দোকান বা ফুড ষ্টল দেয়ার জন্য আপনার অনেক কম টাকার প্রয়োজন। তবে, ছোট ছোট খাবার দোকান গুলিতে কিন্তু লোকেদের ভিড় অনেক বেশি পরিমানে থাকে।

কারণ, সবাই কম দামে ভালো খাবার খেতে ভালো পান। তাই, ভালো কোয়ালিটির খাবার কম দামে দিতে পারলে, কেবল কিছু দিনের মধ্যেই আপনার food stall এর ভালো নাম হয়ে যাবে।

৮. Juice stall 

যেভাবে খাবার দোকানের ব্যবসা করাটা লাভজনক, ঠিক সেভাবেই juice stall বা শরবতের দোকান লাগিয়েও ব্যবসা আরম্ভ করা যেতে পারে।

আপনি একটি ভালো জায়গা বেঁচে নিন। যেমন, স্কুল বা কলেজের সামনে, হাসপাতালের সামনে বা কোনো বড়ো সরকারি কার্যালয়ের সামনে।

এরকম জায়াগায় লোকেদের ভিড় অনেক বেশি পরিমানে থাকে। তাই, শরবত খাওয়ার জন্য অনেক গ্রাহক আপনার দোকানে আসার সুযোগ অনেক বেশি।

এই ধরণের শরবতের দোকান দেয়ার জন্য, কেবল একটি ছোট জায়গা বা দোকান নিলেই হবে। তারপর, কিছু ফল (fruits) কিনে আনতে হবে।

তাছাড়া, এই ব্যবসাতে আপনার অন্য কোনো জিনিসে টাকা খরচ করতে হবেনা। হে, শরবত তৈরি করার juice maker machine লাগবে, যেটা ২ থেকে ৩ হাজারেই পাবেন।

৯. Tuition center & class

বলতে খারাপ লাগছে যদিও, আজ টিউশন পোড়ানোটাও কিন্তু এক ধরণের সাংঘাতিক লাভজনক ব্যবসা। আপনি যেকোনো বিষয়ে বাচ্ছাদের পড়াতে পারবেন এবং তার বদলে ফিস (fees) নিতে পারবেন।

ঘরে tuition class করানোটা সম্ভব যদিও, একটি আলাদা জায়গায় রুম (room) নিয়ে প্রফেশনালি (professionally) ব্যাচ হিসেবে টিউশন করলে আপনার অনেক ভালো পরিমানে আয় হবে।

তাই, আপনি যেকোনো একটি বা দুটি বিষয় নিয়ে tuition class বা tuition center শুরু করতে পারেন।

আমার এক বন্ধু বিকেল ৫ থেকে রাত ৯.৩০ অব্দি টিউশন করিয়ে ভালো পরিমানে আয় করছে।

তাছাড়া, আপনাদের যদি কোনো বিশেষ প্রতিভা রয়েছে যেমন, drawing, music, Yoga & fitness, craft তাহলে এই বিষয় গুলি নিয়েও training ও tuition class দিতে পারবেন।

১০. ঘরে বসে কাপড়ের ব্যবসা 

আমি অনেক মহিলাদের দেখেছি যারা বাড়িতে বসে কাপড়ের ব্যবসা করছেন। মানে, নিজের ঘরে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার ভেতরে অনেক কম দামে শাড়ি কিনে এনে তারপর সেগুলি আবার চীন পরিচিত লোকেদের বিক্রি করছেন।

হে, আপনি যদি একজন মহিলা এবং বাড়িতে বসেই ঘরোয়া ব্যবসা করতে চাচ্ছেন, তাহলে এই শাড়ির ব্যবসা আপনার জন্য সেরা।

আপনি বিভিন্ন wholesaler বা manufacturer দেড় কাছ থেকে অনেক কম দামে সুন্দর সুন্দর শাড়ি কিনে আনুন এবং সেগুলি লাভ রেখে বিক্রি করুন।

শাড়ির কোয়ালিটি ভালো হলে এবং দেখতে সুন্দর হলে, আপনার এই ঘরোয়া ব্যবসা কখন লোকেদের মাঝে ছড়িয়ে যাবে, আপনি বুঝতেই পারবেননা।

মনে রাখবেন, কাপড়ের ব্যবসা কিন্তু অনেক লাভজনক।

১১. YouTube channel business 

ব্লগিং এর পর, ঘরে বসে অনলাইন টাকা আয় করার সবথেকে ভালো উপায় হলো YouTube. এমনিতে, ইউটিউব থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন, এই ব্যাপারে আমি আগেই আপনাদের বলেছি। এবং, কেন ইউটিউব ঘরে বসে আয় করার সেরা উপায় সেটাও বলেছি।

একটি ইউটিউবের চ্যানেল তৈরি করাটা একেবারে সহজ এবং ফ্রি।

একটি ইউটিউবের চ্যানেল তৈরি করার পর, কেবল নিজের চ্যানেলে ভালো ভালো ভিডিও বানিয়ে আপলোড করতে হবে।

এবং, একবার ইউটিউবের monetization চালু হয়ে গেলে, নিজের ভিডিও গুলিতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে মাসে মাসে ভালো পরিমানে টাকা আয় করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন ছাড়াও, ইউটিউবের চ্যানেলে যদি অধিক পরিমানে subscribers থাকে, তাহলে sponsorship এবং affiliate marketing এর মাধমেও টাকা আয় করতে পারবেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কেবল মাত্র ভালো ভালো ভিডিও আপলোড কোরে, আজ হাজার হাজার লোকেরা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা অব্দি আয় করছেন।

তবে, নিজের চ্যানেল থেকে অধিক পরিমানে টাকা ইনকাম করার জন্য, আপনার চ্যানেলে মিনিমাম ৫০ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকলে ভালো।

তবে, এর থেকে কম subscriber থাকলেও ভালো পরিমানে টাকা আয় করার সুযোগ অবশই রয়েছে।

শেষে, এই অনলাইন ব্যবসা আপনারা পুরো পুরি কোনো টাকা খরচ না করেই শুরু করতে পারবেন।

ভিডিও রেকর্ড এবং এডিট করার জন্য কেবল আপনার smartphone টি হলেই হবে।

আপনারা চাইলে অনেক সহজে একটি laundrycloth cleaning business শুরু করতে পারবেন। আজ মানুষের কাছে সময় নেই এবং তাই আপনি বিভিন্ন apartments এবং ঘরের থেকে নোংরা কাপড় নিয়ে এসে সেগুলি ধুয়িয়ে দেয়ার বদলে টাকা নিতে পারবেন।

হে, কিছু পরিমানে ধোপাঘরের মতোই। কিন্তু, আপনি নিজে না কোরে লোক লাগিয়ে কাপড় আনা বা কাপড় ধুয়ানোর কাজ করতে পারবেন।

আপনি যদি প্রত্যেকদিন ভালো পরিমানে কাপড় ধুয়াতে পারেন, তাহলে ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন।

কেবল 10 হাজার টাকায় ব্যবসা করার কথা যারা ভাবছেন, তারা এই ধরণের বিসনেস করলে অনেক কম টাকা লাগিয়ে ভালো পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন।

১৩. Digital marketing agency 

আজকাল যেকোনো কোম্পানি তাদের পণ্য বা প্রডাক্ট ইন্টারনেটে অনলাইন মার্কেটিং করেন এতে, তাদের পণ্য অনেক সহজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অধিক লোকেদের কাছে প্রচার হয়ে যায়।

এবং, এই ধরণে ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা যেকোনো পণ্যের প্রচার মা মার্কেটিং কেই “digital marketing” বলা হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি, এই ব্যাপারে আমার আর্টিকেল পোড়ে ভালো ভাবে জেনেনিতে পারবেন।

তাই, ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করে এই ব্যাপারে কেবল ৩ মাসের কোর্স করেই শিখে নিতে পারবেন।

তাছাড়া, ইউটিউবে ভিডিও দেখে বা ব্লগের আর্টিকেল পোড়ে আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিষয়ে সবটাই শিখে নিতে পারবেন।

তারপর, নিজের একটি digital marketing agency খুলে, নিজের ঘর থেকে বা যেকোনো অন্য জায়গার থেকে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানি বা ওয়েবসাইটের জন্য internet marketing করতে পারবেন।

আজ, ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা প্রচুর এবং প্রত্যেকেই নিজের নিজের পণ্য, সার্ভিস বা ওয়েবসাইটের প্রচার অনলাইন ইন্টারনেটে করতে চান।

তাই, এই ধরণের professional business আপনার জন্য অনেক লাভজনক বলে প্রমাণিত হতে পারে।

১৪. Catering service business 

আজকাল বিভিন্ন বিয়ের ফাঙ্কশন,  birthday function বা occasion গুলিতে খাবারের যোগান ধরার জন্য catering service এর প্রয়োজন হয়। এই ক্যাটারিং এর সার্ভিস খাবার বানানো থেকে পরিবেশন করা অব্দি সব দায়িত্ব নেন।

আপনারা একটি ক্যাটারিং এর সার্ভিস প্রদান করা ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

বিভিন্ন বিয়ের ফাঙ্কশন, জন্মদিনের উৎসব বা অন্যান্য উৎসব গুলিতে খাবারের দায়িত্ব নিতে হবে।

এবং, প্রথম অবস্থায় আপনার বেশি টাকার কোনো প্রয়োজন হবেনা।

কারণ, যাদের নিয়ে কাজ করবেন তাদের কন্ট্রাক্ট (contract) হিসেবে রাখতে হবে।

প্রত্যেক ফাঙ্কশন বা উৎসব শেষ হওয়ার পর তার থেকে পাওয়া টাকার থেকে যার যার ভাগ দিয়ে আপনি শেষে নিজের লাভের অংশ রাখতে পারবেন।

১৫. Paper bag making 

Paper দিয়ে বানানো অনেক রকমের ব্যাগ বা ঠোঙা বিভিন্ন দোকানে প্রয়োজন হয়। তাই, নিজের ঘরে পেপারের ব্যাগ তৈরি কোরে, সেগুলি বিভিন্ন দোকানে সাপ্লাই (supply) দিয়ে ভালো রকমের ব্যবসা করতে পারবেন।

পেপারের ব্যাগ তৈরি করা ছাড়া, পেপার দিয়ে তৈরি করা ঠোঙা এবং চিঠির খাম তৈরি করেও সেগুলির ব্যবসা করতে পারবেন।

১৬. Momo stall

মোমো (momo) প্রত্যেক দেশের লোকেদের মধ্যে অনেক প্রচলিত ও প্রিয় ফাস্ট ফুড (fast food) .

তাই, কিভাবে মোমো তৈরি করবেন, সেটা শিখে নিয়ে একটি ছোটো মোমোর দোকান দিতে পারবেন।

আপনার হাথের মোমো খেয়ে যদি লোকেদের ভালো লালগে, তাহলে অনেক কম সময়ে আপনার এই মোমোর দোকানের ব্যবসা সফল হয়ে দাঁড়াবে।

এই ব্যবসা আপনারা যেকোনো ফুটপাত (footpath) বা রাস্তার কিনারে করতে পারবেন।

মোমো তৈরি করার সামগ্রী এবং একটি momo steamer ছাড়া আপনার অন্য কোনো জিনিসে টাকা খরচ করতে হবেনা। Momo steamer ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার ভেতরেই পেয়ে যাবেন।

 ১৭. Chana stall or store 

শুনে একটু আলাদা এবং অটপটা লাগতে পারে। তবে, আমাদের এখানে একটি দোকান আছে যেখানে কেবল চানা কিনতে পাওয়া যায়। হে, বিভিন্ন রকমের চানা যেগুলি একবার খেলেই বার বার খেতে মন করবে।

দোকানটির নাম হলো “laal chana bhandar“.

প্রত্যেক দিন হাজার হাজার টাকার চানা বিক্রি করছেন এই চানার দোকান। কিছু চানার মেনু যেগুলি তারা বিক্রি করেন, সেগুলি হলো –

  • Cheese muri
  • Cheese চানা
  • Cheese chat
  • Alu chat
  • Alu বাদাম
  • Cheese ভেল মুড়ি
  • Chips chat
  • Kurkure chat
  • Mix চানা

এই ধরণের একটি আলাদা ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে এই দোকানের মালিক কিছু বছর আগে ব্যবসা শুরু করেছিলেন।

এবং, এখন তিনি অনেক ভালো পরিমানে টাকা আয় করছেন।

তাই, আপনারাও এরকম ধরণের একটি চানার দোকান খুলতে পারেন, যেখানে বিভিন্ন রকমের চানার আইটেম বানিয়ে লোকেদের খাওয়াতে পারবেন।

বিভিন্ন ছানার রেসিপির আলাদা আলাদা দাম আপনি লোকেদের থেকে নিতে পারবেন।

তাছাড়া, এই ধরণের ব্যবসাতে খরচের পরিমান অনেক কম যদিও লাভের সুযোগ অনেক বেশি।

Comments (No)

Leave a Reply