এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

Google Rank Tips and Tricks – আর কখনো হারাবে না গুগোল পেজ র‍্যাংক

সব সময় আমাদের একটা চিন্তা থাকে গুগল কবে কখন কি আপটেড দিব এবং তার ফলে আমার সাইট বা আমার ক্লাইন্টের সাইট কতটা ডাউন হবে গুগল সার্চে। আবার কিছু পোলাপান চিন্তায় থাকে গুগল কখন আপডেট দিবে আর লোকের ওয়েব সাইট গুগল সার্চে ডাউন হবে এবং আবার SEO করে আবার ও টাকা কামাব। তবে আর যাই হউক না কেন এই আর্টিকেল টা তাদের জন্য যারা সৎ ভাবে কাজ করেন এবং আপনার নিজের ওয়েব সাইটের অব্যস্থান ধরে রাখবেন কিছু দিন Off-Page এ কাজ করার পরে।

আজ মূলতঃ আলোচনা করব ঐ সমস্ত বিষয় নিয়ে যেগুলো আপনাকে অনেক আগেই করতে হবে। তার মানে হল আপনাকে শুরু করতে হবে ওয়েব সাইটের On-Page SEO দিয়ে। আর তার ভিতরে পড়ে অনেক কিছু আজ আলোচনা কর তার ভিতরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে এবং তার সাথে আলোচনা করব আমার নিজের ওয়েব সাইটের কিছু ইন্টারফেস নিয়ে। আশা করি এই বিষয় নিয়ে আপনাকে পরে আর মাথা না ঘামালে ও চলবে।

Google Rank Tips and Tricks - আর কখনো হারাবে না গুগোল পেজ র‍্যাংক
  • সব প্রথম যেটা আপনাকে করতে হবে সেটা হল আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের ওয়েব সাইট টা কে Seositecheckup.com এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে দেখে নিতে হবে বা চেক করতে হবে কি কি অসংগতি আছে ওয়েব সাইটে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল যে, কিছু মানুষ আছে যারা ওয়েব ডিজাইন করার জন্য যখন কোন ওয়েব ডিজাইনার বেশী টাকা চাই তারা দিতে চাই না কারণ হল কিছু পাবলিক আছে যারা অনেক কম টাকাতে ওয়েব ডিজাইন করে দেয়। কিন্তু বাস্তবতা হল যখন কোন SEO expert সেই সাধারণ মানের ওয়েব সাইটে কাজ করতে যাই তখন তারা SEO শুরু করে Off-Page SEO দিয়ে। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞাতা যে টা বলে যে, “একটা ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও চেক না করে কখন ও অফপেজ এস ই ও না করা, কারণ সেটা দিয়ে র‌্যাংঙ্ক করানো অনেক টা অসম্ভব।”
  • তাই উচিত হবে একটা ওয়েব সাইটের অফপেজ করার আগে অনপেজ ভাল করে চেক করে নেওয়া। যদি আপনি এতক্ষণে Seositecheckup দিয়ে আপনার ওয়েব সাইট চেক করে থাকেন তাহলে আপনি বুজতে পারবেন যে এখন আপনার ওয়েব সাইটে কি কি করতে হবে এখন। তাহলে শুরু করা যাক।
  • প্রথমে যেটা করতে হবে সেটা হল আপনার ওয়েসাইটের মেটা কিওয়ার্ড ঠিক করতে হবে তবে অব্যশই সেটা হতে হবে ৭০ শব্দের ভিতরে। আমার ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রে ৫০ শব্দের ভিতরে রেখেছি। এখন প্রশ্ন হতে পারে কেন আর ও বেশী তো দিতে পারতেন কারণ ৭০ শব্দ তো হয় নি। তাহলে বলে রাখা ভাল যে আমার ওয়েব সাইট একটা নিশ নিয়ে তৈরী করা। আর নিশ মানে হল একটা নির্দিষ্ট বিষয়। আর তাই এখানে ৫০ শব্দ ঠিক ই আছে।
  • এরপর যেটা সেটা হল মেটা ডিসক্রিপশন। এটা হল একটা সাইট সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা। আর এটার জন্য আপনাকে ১৬০ শব্দের ভিতরে বর্ননা দিতে হবে। অথচ আমার ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রে এটা ২১০ শব্দের। এখন প্রশ্ন হল এখানে কেন এত বেশী বর্ণনা দিলাম। বলে রাখা ভাল যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আপনি যত বেশী বর্ণনা দিবেন আপনার সাইটের তত বেশী ভাল। কিন্তু আবার এত বেশী বর্ণনা দিবেন না যেন সার্চ ইজ্ঞিন রাগ করে বসে। খেয়াল করবেন যে ১৬০ শব্দের বর্ণনার ভিতরে আমার টা ২১০ শব্দের। তাহলে এর অর্থ দাড়ায় যে আমি এক গুন বেশী বর্ণনা দিয়েছি। ঠিক আছে কিন্তু আপনি যেন ২ গুন বেশী বর্ণনা দিয়েন না। সাধারণত ১৬০ শব্দের বর্ণনা টা গুগল তার সার্চ রেচাল্টে দেখায় তার পরে যেগুলো থাকবে সেগুলো দেখাবে না উদাহরণ দেখুন নিচের ছবিতে।
Google Rank Tips and Tricks - আর কখনো হারাবে না গুগোল পেজ র‍্যাংক
  • এরপরের বিষয়টা হল সবচেয়ে কমন কিওয়ার্ড। আসলে এই কমন কিওয়ার্ড সিস্টেম টা পরিবর্তণ হতে থাকে সব সময়। আর এটা হল আর্টিকেল বা পণ্যের আপডেটের উপরে। উদাহরণ হিসাবে যদি বলি তাহলে দেখা যায় যে আমার ওয়েব সাইটে ডিসেম্বরে বেশী ব্যবহার করা কিওয়ার্ড গুলো বর্তমানে দেখাচ্ছে যেহেতু আমি জানুয়ারি মাসে এখন ও কোন আর্টিকেল প্রকাশ করিনি। তো আপনাকে অব্যশই খেয়াল করতে হবে যে আপনি যে কমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করছেন সেটা যেন গুগল সার্চ রেজাল্টের সাথে মানান সই হয়। তাহলে এটা আপনাকে র‌্যাংঙ্কে নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।
  • এরপরে আসে H ট্যাগের কথা। তবে অনপেজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয় H1,H2 ট্যাগকে। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখা উচিত সব সময়। আর সেটা হল যে এই দুইটা ট্যাগের ভিতরে H1 ট্যাগের সাইজ অনেক বড়। আর সেই কারণে যেখানে এটা ব্যবহার করবেন সর্তকতার সাথে ব্যবহার করবেন। আমার ওয়েব সাইটে H2 ট্যাগের ব্যবহার বহু জায়গাতে করেছি কিন্তু Seositecheckup এ দেখায় যে আমার ওয়েব সাইটে H1,H2 এর ব্যবহার হয় নি। আর তার কারণ হল আমার সাইটের হোম পেজে এই দুইটা ট্যাগের ব্যবহার হয়নি। প্রশ্ন হতে পারে কেন করেন নি। উত্তর হল আমার সাইটে ভিজিটার আসা টা জরুরি। আমি যদি এই দুইটার ট্যাগ ব্যবহার করে যদি আমার ওয়েব সাইটের চেহারা খারাপ করে ফেলি তাহলে দেখতে খারাপ লাগবে আর দেখতে খারাপ লাগলে ভিজিটার ভবিষ্যতে আসার সম্ভবনা কমে যাবে। আর H1,H2 ট্যাগ ব্যবহার করার নির্ভর করে ওয়েব ডিজাইনের উপরে। তবে ভিজিটার বাড়ার টিপস পাবেন আর্টিকেলের শেষে সাথে থাকুন।
  • এরপরে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল Broken links. আসলে এটা একটা ভাইরাস বলা যায়। সব সময় খেয়াল রাখবেন যেন আপনার ওয়েব সাইটে এটা না থাকে। কারণ আপনার ওয়েব সাইটে যত বেশী Broken Links থাকবে তত বেশী সমস্যা হবে।কারণ যেখানে Broken Links থাকবে সেখান থেকে গুগল রোটব ফিরে আসবে আপনার ওয়েব সাইট ইনডেস্ক করবেনা। আমার ওয়েব সাইটে বর্তমানে কোন Broken links নেই ৩৫ টা লিংঙ্ক ই ঠিক আছে।
  • এরপরের বিষয় হল ছবিতে ALT বা বিপরীত লেখা দেওয়া। কারণ অধিকাংশ সময় দেখা যায় যে, যদি ওয়েব সাইটের কোন ছবি ওয়েব সাইট থেকে ডিলিট হয়ে যায় তাহলে আপনাকে অব্যশই আপনার বিপরীত লেখাটা দেখায় ছবির জায়গাতে এবং গুগল বুঝে যে এখানে একটা ছবি আছে। আর সেটা আপনার ওয়েব সাইটের প্লাস পয়েন্ট। আমার ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রে মাত্র ৪ টা ছবিতে বিপরীত লেখা দেওয়া নেই এবং সেই ছবিগুলো আমি খুজে বের করতে পারছি না।
  • এরপরের বিষয়টা হল Inline CSS তবে আপনি যদি কোডিং না জানেন তাহলে আমি বলব যে এখানে হাত দেবার চেষ্টা করবেন না। কারণ দেখা যাচ্ছে এটা ঠিক করতে যেতে আপনি সম্পূর্ণ সাইট টা ডাউন করে ফেলেছেন। তবে এটা তত টা বেশী গুরুত্বপূর্ণ না।
  • এরপরে আপনার সাইটকে অব্যশই Google Analytics এর এড করবেন। কিভাবে এড করবেন সেটা আপনি নিচের ভিডিও থেকে দেখে নিতে পারেন। আর আমার ক্ষেত্রে তো অব্যশই গুগলে এড করেছি। শুধু গুগল না পারলে বিং, এল্যাক্সেতে এবং আর অন্য সাইটে এড করতে পারেন।
  • আপনার সাইটে অব্যশই Favicon যোগ করেন। কারণ এটা সাইটের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ হিসাবে বলব যে অনেক সময় দেখা যায় যে কেউ যদি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েব সাইট তৈরী করে তাহলে তার ওয়েব সাইটের Favicon থাকে W বা সে যে কোম্পানির হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার করছে তাদের লোগো। কিন্তু যখন একজন ভিজিটার তার কম্পিউটারে বেশী ট্যাব ব্যবহার করে তখন সে এমনি ই বুজতে পারবে আপনার ওয়েব সাইটের Favicon দেখে যে এটা অমুক ওয়েব সাইট। এবং সে ব্রাউজারে ঐ ট্যাবে ক্লিক করে চলে আসতে পারবে আপনার ওয়েব সাইটে।
  • এরপরে যে বিষয়টা খেয়াল রাখবেন সেটা হল SEO Friendly URL কারণ আপনি যদি SEO Friendly URL ব্যবহার না করেন তাহলে সেটা গুগলের কাছে গ্রহনযোগ্য হয় না। আপাতত আমার নিজের সাইটে একটা মাত্র সমস্যা আছে এবং এই আর্টিকেল আপনার হাতে পৌছানোর আগেই ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। এবং যতটা সম্ভব আপনার সাইটে জাভা স্ক্রিট ব্যবহার কম করেন।
  • অব্যশই আপনার ওয়েবসাইটে সোসাল মিডিয়ার ব্যবহার করুন। আমার ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রে প্রায় সব ধরণের সোসাল মিডিয়া এড করা আছে। আর আপনার ওয়েব সাইটে কোন আর্টিকেল বা কোন কিছু নতুন আপডেট হলে সেটা অব্যশই সোসাল মিডিয়াতে পোষ্ট করুন কারণ আপনার ওয়েব সাইটের লিংঙ্ক আপনার ওয়েব সাইটের বাহিরে যত বেশী বার শেয়ার বা পোষ্ট হবে তত তাড়াতাড়ি গুগল ইনডেক্স এর যাবে।
  • এরপরে আপনাকে খেয়াল করতে হবে আপনার ওয়েব সাইটের HTML পেজের সাইজ। পেজের সাইজ যত বেশী সমস্যা তত বেশী। কারণ পেজের সাইজ হলে সাইট লোড হতে বেশী সময় নেয় এবং এতে করে ভিজিটার বিরক্ত হতে পারে এবং সাইট ভিজিট কম হবে এবং বাউন্স রেট বেড়ে যাবে এবং গুগল র‌্যাংঙ্কে আপনি নিচে চলে আসতে পারেন। যথা সম্ভব ওয়েব সাইটে ফ্লাসের ব্যবহার কম করেন।
  • এরপরের বিষয় হল Safe Browsing কারণ আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের সাইটে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে আপনার ওয়েব সাইট ভিজিটের সময় ভিজিটার একটা নোটিশ পাবে যে এই সাইটে ভাইরাস আছে এই সাইটে প্রবেশ করলে আপনি বা আপনার কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। আশা করি এই ব্যাপারে এটা আর্টিকেল ভবিষ্যতে দিব যে “কিভাবে বুজবেন যে আপনার ওয়েব সাইটে ভাইরাস আছে এবং সেটা থেকে মুক্তি পাবেন কিভাবে?”
  • এরপরে যে বিষয়টা খেয়াল রাখা উচিত সেটা হল আপনার আপনার ওয়েব সাইটের প্রতিটা ছবিকে রিসপন্সিভ করা। কারণ অনেক সময় দেখা যায় যে, ছবি বড় ছোট হবার কারণে আপনার ওয়েব সাইট দেখতে অনেক খারাপ লাগে। আর তার ফলে ভিজিটারের উপরে প্রভাব পড়ে। তাই নির্দিষ্ট সাইটের ছবি ব্যবহার করুন অথবা ছবি রিসাইজ করার জন্য কোন সফট্যার ব্যবহার করতে পারেন।
  • সেই সময় এখন আর নেই দাদা এখন বেশীর ভাগ মানুষ ওয়েব সাইট ভিজিট করে বিভিন্ন ধরণের ছোট ডিভাইজ দিয়ে যেমন মোবাইল, ট্যাব সহ আর ও কতকিছু। তার তাই আপনার ওয়েব সাইট আব্যশক ভাবে রিসপন্সিভ করে তৈরী করুন। কৃপণতা করবেন না টাকা বেশী দিয়ে হলে ও তৈরী করুন সব ডিভাইস ফ্রেন্ডলি ওয়েব সাইট তাহলে আপনার সাইটের ভিজিটার বাড়বে। এবং সেই সাথে আপানার ওয়েব সাইটের র‌্যাংঙ্ক।

অতঃপর বর্তমানে আমার ওয়েব সাইটের অনপেজ এস ই ও র‌্যাংক মাত্র ৬৫% দুইটা H ট্যাগ না থাকার কারণে তবে আমার মতে একটা ওয়েব সাইটে ৭০-৭৫% অনপেজ এস ই ও র‌্যাংঙ্ক থাকা প্রয়োজন। আশা করি এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আপনি সামান্য কিছু অফপেজ এস ই ও এর কাজ করলে আপনি প্রতিটা গুগল আপডেটে নিজের অব্যস্থান ধরে রাখতে পারবেন।

এবার বলব কিভাবে আপনি আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিটর বাড়াবেন। বর্তমানে Reddit ও Pinterest মানে দুইটা সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনেক ভিজিটর নিয়ে আসা সম্ভব। কিন্তু এই দুইটা সোসাল মিডিয়াতে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে আপনার ভিজিটার আসবে। আর সেটা আপনি একটা কখন ই করতে পারবেন না। তাই Reddit ও Pinterest জয়েন করে এক্টিভ থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রচুর ভিজিটার নিয়ে আসতে পারবেন আপনার ওয়েব বা আপনার ক্লাইন্টের ওয়েব সাইটে।

তাহলে আর দেরী না করে জয়েন করুন আর নিয়ে আসুন ভিজিটার প্রতিদিন আপনার ওয়েব বা আপনার ক্লাইন্টের ওয়েব সাইটে এবং আয় করুন বেশী বেশী টাকা। এবং মেনে চলুন উপরের বিষয়গুলো তাহলে হারাবেন না আপনার ওয়েব সাইটের র‌্যাংক যে কোন গুগল আপডেটে।

Comments (No)

Leave a Reply