এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

ইউটিউব ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার সেরা এবং সহজ উপায়

ওপরের টাইটেল পোড়ে আপনারা হয়তো ভুঝে গেছেন, আজকে কিসের বেপারে আমি আপনাদের বলবো। হে, আমি আপনাদরে আজ, “ঘরে বসে অনলাইন আয় করার সেরা উপায় টির বেপারে বলবো”. ২০১৯ থেকে শুরু কোরে ভবিষতেও সেই, “অনলাইনে আয়ের সেরা মাধ্যমটি” ইউটিউব (YouTube) বলেই আমি ভাবি। (Best way to earn money online).

তাছাড়া, কেন আমি, অনলাইন ইনকাম করার লাভজনক উপায় ইউটিউব (YouTube) কে বলেছি, সেটাও এক এক কোরে আপনাদের বুঝিয়ে বলবো। (Online income from YouTube).

এমনিতে, ঘরে বসে অনলাইন টাকা আয় করার উপায় আপনারা অনেক পেয়ে যাবেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বলবেন যে, android apps দিয়ে টাকা আয় করা, ক্যাপচা টাইপিং জব (captcha typing jobs), অনলাইন ডাটা এন্ট্রি (online data entry) কাজ বা ফ্রীল্যানসিং (freelancing) দ্বারা আপনি অনলাইনে ইন্টারনেট থেকে আয় কোরতে পারবেন।

কিন্তু, সত্যিটা বললে, ওপরে বলা মাধ্যম গুলি ব্যবহার কোরে আপনারা কেবল সময় নষ্ট করবেন। সেই উপায় ব্যবহার কোরে আপনি জোর কোরে কেবল খুব অল্প হাত খরচ বের কোরতে পারবেন। সেটা খুব কম বললেই আমি ভুল হবোনা।

এবং, কিছু ক্ষেত্রে তো কামানো টাকাও আপনাকে দেয়া হয়না। সোজা ভাবে বললে payment এর কোনো guarantee থাকেনা। তাছাড়া, এগুলো অনলাইন কাজের কোনো ভরসা নেই।

এখন, আপনি যদি এমন একটি অনলাইন ইনকামের উপায় খুঁজছেন, যেটা ঘরে বসেই করা যাবে এবং যেখান থেকে আনলিমিটেড (unlimited) লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করার সুযোগ রয়েছে, পেমেন্ট এর ভরসা থাকবে বা যাকে আপনারা ফুল টাইম (full time) বিসনেস (business) হিসেবে নিয়ে কাজ কোরতে পারবেন, তাহোলে সেই উপায়টি হলো “YouTube“.


ইউটিউব থেকে আয় করা অনেক সহজ। ইউটিউব (YouTube) কে আপনারা নিজের একটি ক্যারিয়ার (career) হিসেবে নিয়ে কাজ কোরতে পারবেন এবং যত বেশি ভালো আপনার কাজ হবে ততটাই বেশি আয়ের সুজন এখানে রয়েছে।

আজ, দেশ বিদেশে লোকেরা ইউটিউবকে একটি প্রফেশন (profession) হিসেবে নিয়ে কাজ করছেন এবং একে একটি শক্তিশালী ইনকামের মাধ্যম হিসেবে গোড়ে তোলেছে।

বর্তমান এবং আসছে সময়ের মধ্যেও ইউটিউব (YouTube) কে ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার সব থেকে সহজ এবংলাভজনক উপায় কেন্ বলা হয়েছে, সে বেপারে এক এক কোরে আমি বলবো।

YouTube থেকে কিভাবে অনলাইন টাকা ইনকাম করা যায় ?

আসলে, যখন আমরা YouTube এ নিজের একটি ভিডিও বানিয়ে আপলোড কোরি তখন YouTube website এ আশা হাজার হাজার লোকেরা আমাদের আপলোড করা ভিডিও দেখেন।

এবং, YouTube এর কিছু নিয়ম কানুন (terms & conditions) এবং শর্তাবলী মেনে ভিডিও আপলোড কোরলে আপনি YouTube monetization এর জন্য এপলাই (apply) করতে পারবেন।

এখনি জেনেনিন – ইউটিউবের নতুন নিয়ম কানুন এবং monetization rules

এখন, ওইটিউব monetization ইউটিউবের এমন একটি সার্ভিস (service) বা ফাঙ্কশন (function) যেটা enable বা চালু হয়ে গেলেই আপনার আপলোড করা প্রত্যেক ভিডিওতে গুগল এডসেন্স এর দ্বারা কিছু বিজ্ঞাপন দেখানো হবে।

এবং, আপনার ভিডিও গুলিতে দেখানো বিজ্ঞাপনের বিনিময়ে আপনাকে টাকা দেয়া হবে আপনার Google adsense account এ।

Monetization নামের ইউটিউবের এই সাধারণ এবং সহজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লোকেরা অনলাইনে হাজার লক্ষ টাকা আয় করে নিচ্ছেন কেবল ভিডিও আপলোড কোরেই।

এমনিতে আমি আমার আগের আর্টিকেলে, ইউটিউবের বিষয়ে বা ইউটিউবের থেকে অনলাইনে আয় কিভাবে করা যাবে এ বিষয়ে সবটাই আপনাদের বুঝিয়ে বলেছি।

তাই, এখন আমরা সোজা ভাবে এইটা জেনেনেই যে, কেন ইউটিউব ঘরে বসেই অনলাইন ইনকামের (online income) সবচেয়ে সহজ এবং লাভজনক উপায় বা মাধ্যম।

YouTube কেন অনলাইনে টাকা আয়ের সেরা উপায় ?

নিচে আমি যেগুলি কারণের ব্যাপারে বলবো, সেগুলি সব আমার নিজের মতামত এবং আমি কেন ইউটিউব কে অনলাইন ইনকামের সেরা উপায় বলে মনে করি সেটা পুরোটাই আমার নিজের experience এবং কিছু research এর ওপর ভরসা করেই বলছি।

১. মোবাইল থেকে কাজ করা যাবে

যদি আপনারা ইউটিউবে নিজের চ্যানেল বানিয়ে তাতে ভিডিও আপলোড কোরে অনলাইন টাকা উপার্জন করতে চান, তাহলে আপনারা কাজটি নিজের একটি মোবাইল থেকেই শুরু কোরতে পারবেন। তাই, যারা যারা মোবাইল দিয়ে অনলাইন টাকা ইনকাম করার উপায় খুঁজছেন, তাদের জন্য “YouTube” সেরা মাধ্যম।

  1. Video তৈরি করা – আপনারা একটি মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহার কোরে ইউটিউবের জন্য ভিডিও বানিয়ে নিতে পারবেন। তাছাড়া, মোবাইলে screen recording apps ব্যবহার কোরে মোবাইল স্ক্রিনের ভিডিও রেকর্ড করে টিউটোরিয়াল ভিডিও বানাতে পারবেন।
  2. ভিডিও এডিটিং – Video বানানোর পর আপনাদের বানানো ভিডিওটি কিছু পরিমানে এডিট কোরে তাকে আরো বেশি আকর্ষণীয় (attractive) করতে হবে। এক্ষেত্রে, আপনারা মোবাইলে ভিডিও এডিট করার এপস ব্যবহার কোরে সেটা করতে পারবেন।
  3. Video upload & publish – আপনার বানানো ভিডিও আপনি মোবাইল থেকেই ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করতে পারবেন এবং নিজের চ্যানেলে পাবলিশ (publish) করতে পারবেন। YouTube এ ভিডিও আপলোড বা publish করার জন্য একটি স্মার্টফোনেই যথেষ্ট।

তাহলে, ইউটিউবের থেকে অনলাইন উপার্জন করার জন্য সব ধরণের যেগুলি জরুরি কাজ আছে, সবটাই আপনারা একটি মোবাইল (smartphone) থেকেই করতে পারবেন।

২. কোনোরকমের technical knowledge এর প্রয়োজন নেই

হে, ইউটিউবের থেকে অনলাইনে আয় বা উপার্জন করার জন্য আপনার কোনো রকমের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের আপনার কোনো প্রয়োজন হবেনা।

কেবল, কিছু সাধারণ জ্ঞান যেমন,কিভাবে ইউটিউবের চ্যানেল তৈরি করবেন , ইউটিউবে ভিডিও কিভাবে আপলোড করবো , ইউটিউব SEO কি ? ভিডিওতে এস ই ও কিভাবে করবেন, এবং YouTube এর monetization rules জানা থাকলেই আপনি কাজ ভালোভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন।

তাছাড়া, YouTube এর সব ধরণের settings বা features ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং সোজা। আপনারা, কিচি সাধারণ ভিডিও দেখেই সবটাই জেনেনিতে পারবেন।

এখানে, যে জিনিসটা সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো “original এবং unique কনটেন্ট“. আপনার বানানো ভিডিও যতবেশি ভালো হবে ততটাই বেশি সফলতা পাওয়ার সুযোগ এখানে রয়েছে।

৩. Content is king – কনটেন্ট হলো সফলতার মাধ্যম

YouTube এর মতোই ব্লগিং থেকেও অনলাইন প্রচুর ইনকাম করা যায়। এমনিতে, ব্লগ মানে কি এবং কিভাবে ব্লগ থেকে অনলাইন টাকা আয় করবেন সেবেপারে আমি আপনাদের আমার আগের আর্টিকেলে বলেছি।

কিন্তু, ব্লগিং এ আপনার ভালো কনটেন্ট এর সাথে অনেক অন্য জিনিসে ধ্যান দিতে হবে। যেমন, web hosting, backlinks, domain authority, SEO, content quality & length এবং আরো অনেক জিনিস। একটি ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ট্রাফিক ভিসিটর্স আনার জন্য আপনার এগুলি জিনিসে ধ্যান বা লক্ষ রাখতেই হবে। এবং, তাই ঘরে বসে অনলাইন টাকা উপার্জনের জন্য ব্লগিং সবাইর জন্য সেরা উপায় বলে আমি মনে করিনা।

YouTube এর ক্ষেত্রে কিন্তু সেটা একদমি বিপরীত। হে, যখন আপনি ইউটিউবে কাজ করবেন, তখন আপনার hosting, domain, backlinks, domain authority, বা SEO র বেপারে ধ্যান দিতে হবেনা। আপনি কেবল ইউটিউবে চ্যানেল বানিয়ে ভালো ভালো quality videos বানানোতে মন দিতে পারবেন। অন্য কিছুতেই আপনার সময় নষ্ট হবেনা।

এবং, আপনার ভিডিওর কনটেন্ট যত বেশি ভালো হবে, যত বেশি সময় লোকেরা আপনার ভিডিও দেখবেন, যত বেশি শেয়ার বা পপুলার আপনার ভিডিও হবে ততটাই কম সময়ে আপনার subscribers বাড়বে এবং সফলতার রাস্তায় এগিয়ে যাবেন।

  • ভালো এবং অরিজিনাল কনটেন্ট বানাবেন, ভিডিওতে watch time বেশি থাকবে।
  • ভিডিওতে watch time বেশি হলে সেই ভিডিও অনেক লোকেদের দেখানো হবে।
  • ভিডিও অনেক লোকেদের দেখানো হলে, আপনার ভিডিওতে views এবং subscribers বেড়েযাবে এবং টাকা আয়ের সুযোক এসে পরবে।

শেষে, ইউটিউবে কাজ করে আয় করা এইজন্য বিশেষ ভাবে সহজ কারণ, “এখানে আপনার ভিডিওর বিষয়, quality এবং কনটেন্ট রাজা“. এবং, একটি ভালো ভিডিও বানানোর জন্য পুরো সময় আপনার কাছে থাকবে।

৪. Easy adsense monetization option (আয়ের প্রক্রিয়া)

এখন ইউটিউবে কাজ করাটা যেমন অনেক সহজ, ঠিক তেমনি, তার থেকে টাকা আয় করার জন্য জেই মাধ্যম রয়েছে সেই মাধমের জন্য apply করাটাও কিন্তু সহজ।

কিছু সাধারণ নিয়ম এবং monetization rules মানার পর আপনি নিজের YouTube dashboard থেকে Monetization অপশনে গিয়ে monetization এর জন্য apply করতে পারবেন।

তারপর, আপনার চ্যানেল এবং তার ভিডিওগুলি ইউটিউবের কর্মচারীরা (officials) দেখবেন এবং যদি তারা ভাবেন যে আপনি তাদের নিয়ম কানুন মেনে ভিডিও বানিয়েছেন, তাহলে তারা আপনার চ্যানেলে monetization enable করে দিবে।

এখন, Google adsense এর মাধ্যমে আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং তার ফলে আপনারা টাকা আয় করতে পারবেন।

তাহলে, কতটা সহজ প্রক্রিয়া সেটা আপনারা নিজেই বুঝতে পারছেন। কেবল, monetization এর যেসব নিয়ম বা rules রয়েছে সেগুলিতেই আপনার ধ্যান দিয়ে কাজ করতে হবে।

গুগল এডসেন্স এবং YouTube দুটোই গুগলের সার্ভিস এবং তাই এরা অনেক ভরসাযোগ্য এবং সময়ে সময়ে আপনি নিজের আয় করা টাকা ব্যাঙ্ক একাউন্টে পেয়ে যাবেন।

Google অনেক বড়ো একটি কোম্পানি, তাই ভালো কোরে কাজ করলে আপনি আপনার আয় করা টাকা ঠিক সময়েই পেয়ে যাবেন। আমি এবং আমার মতোই লক্ষ লক্ষ লোকেরা পাচ্ছেন।

৫. Higher earning potential – আনলিমিটেড আয়ের সুযোগ

আজ ইউটিউবের মাধ্যমে লোকেরা আনলিমিটেড টাকা মাসে মাসে আয় করছেন। কারণ, আজ ইন্টারনেট এবং YouTube এর ব্যবহার অনেক গুনে বেড়ে গেছে। তাছাড়া, আসছে সময়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও দেখার প্রচলন দুগুণ তিনগুন বেড়ে যাবে।

লোকেদের কিছু জানার ইচ্ছে থাকলেই তারা গুগল বা ইউটিউবে সার্চ করেন এবং ফলে আমাদের ভিডিও তাদের উত্তর হিসেবে দেখানো হয়। এই প্রক্রিয়া বা লোকেদের ইন্টারনেটের এই ব্যবহার আসছে সময়ে অধিক বেড়ে যাবে।

ফলে, যত বেশি ইন্টারনেট এবং ইউটিউবের ব্যবহার বাড়বে, ততটাই বেশি বোরো বোরো কোম্পানিরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল advertisement এর মাধ্যম ব্যবহার করবেন। এতে, ইউটুবের (গুগল এডসেন্স) দ্বারা আপনার ভিডিওতেও বেশি বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং আপনার ইনকাম বেড়েযাবে।

YouTube এবং অনলাইন digital advertisement এর ভবিষৎ অনেক উজ্জ্বল। এবং, এই দুটো জিনিস থাকলেই আমাদের ইউটিউবের থেকে আয়ের সুযোগও অনেক বেশি হয়ে দাঁড়াবে।

এখকার সময়েই, লোকেরা ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মাসে হাজার হাজার এবং লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন।

এখানে আয়ের কোনো সীমা নেই। আপনার ভিডিওতে যত বেশি views হবে ততটাই বেশি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। সবটাই আপনার কাজের ওপরে কথা।

এডসেন্স বিজ্ঞাপন ছাড়াও আপনারা অনেক মাধ্যমে ইউটিউবের থেকে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন।

  • YouTube চ্যানেলে subscriber অধিক থাকলে আপনারা বিভিন্য কোম্পানির products sponsor করেও ভালো সংখ্যাতে টাকা কমাতে করতে পারবেন।
  • আপনি নিজের আসে পাশে থাকা local business গুলি promote কোরে আয় করতে পারবেন।
  • আপনার যদি নিজের কোনো ব্যবসা আছে, তাহলে সঠিক বুদ্ধি এবং মার্কেটিং কোরে অনলাইন নিজের product বিক্রি করতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং এ অনেক শক্তি আছে, এবং একবার আপনার ইউটিউবের চ্যানেলে subscriber এর সংখ্যা অনেক হয়ে গেলে আপনার কারো কাছে যেতে হবেনা, লোকেরা বিজ্ঞাপনের জন্য বা প্রোমোশনের জন্য নিজেই আপনার কাছে আসবে।

৬. Broad content ideas

এখন ইউটিউব হলো একটি Video portal যেখানে সব রকমের ভিডিও থাকে এবং সব রকমের ভিডিও লোকেরা দেখেন।

তাই, আপনি নিজের ইচ্ছে মতো বা নিজের ভালো লাগা হিসেবে ভিডিওর টপিক বেঁচে তার ওপরে ভিডিও বানাতে পারবেন। সব ধরণের ভিডিও লোকেরা এখানে দেখেন।

আপনি যদি টিউটোরিয়াল ভিডিও বানাতে চান, অ্যানিমেশন ভিডিও বানাতে চান, motivational videos বানাতে চান বা যেকোনো বিষয়ে বা জিনিসের ওপরে ভিডিও বানাতে চান, সবটাই দেখার দর্শক এখানে রয়েছে।

তাই, কিসের ওপরে ভিডিও বানাবেন বা ইউটিউবের চ্যানেল আইডিয়া কি হবে সেটা আপনার নিজের রুচি বা interest হিসেবে বেঁচে নিতে পারবেন।

সোজা ভাবে বললে, যেকোনো জিনিসের ওপরে ভিডিও বানাতে পারবেন। কেবল, সেই বিষয়ে আপনার knowledge থাকতে হবে।

৭. Use of internet & videos increasing

আজ, আপনি বা আমি যেকোনো জিনিসের ব্যাপারে জানার জন্য YouTube খুলেই ভিডিও দেখে সে বেপারে জেনেনিতে চাই। এবং, আমাদের মতোই দেশ বিদেশে লোকেরা ভিডিওর মাধ্যমে তাদের প্রশ্নোর উত্তর বা যেই জিনিস জানতে চান সেটা জেনে নেন।

৫ বছর আগের তুলনায় আজ ইন্টারনেট এবং YouTube ব্যবহার করা লোকেদের সংখ্যা ৬০% থেকে ৭০% বেড়েছে, এবং আসছে সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা লোকেদের সংখ্যা ১০০% থেকেও বেশি বেড়ে যাবে।

এর সাথে সাথে, অনলাইন মার্কেটিং, ডিজিটাল advertising, ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন এগুলির সংখ্যাও অনেক বেড়েছে এবং আসছে সময়ে অনেক বেশি বেড়েযাবে। এতে, ভিডিওতে বিজ্ঞাপনের দ্বারা আয়ের সুযোগ অনেক গুনে বাড়ছে।

বাচ্চা থেকে শুরু কোরে বুড়ো লোকেরাও ইন্টারনেট ব্যবহার করা শিখে গেছেন এবং YouTube এ তারা নিজের মন মতো কনটেন্ট বা ভিডিওস এখন থেকেই দেখেন।

তাহলে, আপনি ভাবতেই পারেন যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন আয় করার এই সুযোগ কতটা বিশাল এবং আসছে সময়ে যখন ইন্টারনেট এবং digital media র রাজত্ব হবে, তখন এই মাধ্যম আপনার আয়ের কত বড়ো উৎস হয়ে দাঁড়াবে।

তাহলে বন্ধুরা, ইউটিউবকে কেন আমি অনলাইন ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার সেরা উপায় হিসেবে বলতে চেয়েছি, সেটা হয়তো আপনারা বুঝেছেন।

Comments (No)

Leave a Reply