এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

ডোমেইন হোস্টিং টিউটোরিয়াল বাংলা পার্ট-৫ [ডেডিকেটেড হোস্টিং কি?]

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
সবাইকে এসো আয় করি এর পক্ষ খেকে শুভেচ্ছা, বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি
ভাল আছেন। আমিও আল্লাহ পাকের রহমতে ভাল আছি। আজ আপনাদের সাথে ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে আলোচনা করব।

তাহলে চলোন শুরু করি ঃ

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় হলোঃ ডেডিকেটেড হোস্টিং কি

ডেডিকেটেড হোস্টিং বা ডেডিকেটেড সার্ভার, ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং এখন ছোট-বড় সকল ধরনের ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেহেতু এটা আপনাকে অনেক সুযোগ সুবিদা দিয়ে থাকে।
ডেডিকেটেড হোস্টিং এ আপনি অনেক ডোমেইন নাম,আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইথ,ডেটাবেস এসব সুবিধা পাবেন।
আপনি একাই ১০০০ জন শেয়ারড হোস্টিং ইউজার বা ১০ জন ভিপিএস ইউজার এর সুবিধা পেতে করতে পারবেন।
একটা ভাল ডেডিকেটেড সার্ভার হোস্টিং এর মাধ্যমে আপনি লক্ষ লক্ষ ভিজিটর কে আপনার ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সুযোগ দিতে পারবেন। ডেডিকেটেড হোস্টিং এ আপনি সব কিছুই নিজের কন্ট্রোল এ রাখতে পারবেন।

ডেডিকেটেড হোস্টিং বা ডেডিকেটেড সার্ভার ২ প্রকারঃ

Managed হোস্টিংঃ হোস্টিং প্রোভাইডাররাই আপনার সকল ধরনের কাজ করে দেবে এবং সকল নিরাপত্তা,সফটওয়ার ইনস্টল দেয়া ইত্যাদি এজন্য তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হবে।

Unmanaged হোস্টিংঃ আপনি যদি Server administrator হন অর্থ্যাৎ আপনি যদি নিজেই আপনার এই ওয়েব সার্ভারের সকল কাজ করে নিতে পারেন। এতেকরে আপনার অনেক টাকা খরচ কম হবে। গুগুলে বা youtube.com অনেক টিউটোরিয়াল আছে চাইলে সেখান থেকে শিখে নিজের কাজ নিজেই শিখতে পারেন।

আশা করি কিছুটা হলেও হোস্টিং অপশন সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন।যদি আপনার হোস্টিং বাজেট বেশি থাকে তাহলে আপনি ওয়েবসাইট ডেডিকেটেড সার্ভারে হোস্ট করাই ভাল অথবা ভিপিএস এ ও হোস্ট করতে পারেন।যদি আপনার বাজেট কম থাকলে প্রথমে শেয়ারড হোস্টিং, এর পরে প্রয়োজন অনুযায়ী ভিপিএস এ আপগ্রেড করে নিবেন এবং যখন আপনার ওয়েবসাইটে অনেক বেশি ভিজিটর আসবে তখন ডেডিকেটেড হোস্টিং এ আপগ্রেড করে নিতে পারেন।

লেখার মধ্যে কোন ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন

ধন্যবাদ।

Comments (No)

Leave a Reply