এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

বিকাশ

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ আদান প্রদানের একটি সার্ভিস। মোবাইল ফোনে বিকাশ একাউন্ট খুলে একজন গ্রাহক বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকে তার মোবাইলে অর্থ জমা, উত্তোলন, নিজের মোবাইল থেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্থ স্থানান্তর, মোবাইল রিচার্জ  এবং কেনাকাটায় পেমেন্ট করতে পারেন।

 

ইতিহাস

আর্থিক সেবা দেশের প্রান্তিক জনগণের আওতার মধ্যে নিয়ে আসার লক্ষ্যে বিকাশ নিয়ে গবেষণামূলক প্রাথমিক কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে। রবি আজিয়াটা লিমিটেড, বাংলাদেশকে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর পার্টনার হিসেবে নিয়ে বিকাশ আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানের কার্যক্রম শুরু করে ২০১১ এর ২১ এ জুলাই।

বিকাশ’ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ এবং মানি ইন মোশন, ইউএসএ এর একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা শুরু করে, এবং পরবর্তিতে ২০১৩ এর এপ্রিল মাসে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) ও ‘বিকাশ’ এর অন্যতম অংশীদার হয়।

 

সার্ভিস

একজন বিকাশ একাউন্ট হোল্ডার তার বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা থাকলে যেকোন সময় যেকোন জায়গা থেকেই বিকাশ এর বিভিন্ন সেবা উপভোগ করতে পারেন। বিকাশ নির্ধারিত এজেন্ট থেকে বিকাশ একাউন্ট খুলতে হয়।

বিকাশ এর বর্তমান সেবাগুলো হচ্ছেঃ

  • বিকাশ একাউন্ট খোলা
  • একাউন্টে টাকা জমা করা
  • একটি বিকাশ একাউন্ট থেকে আরেকটি বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানো
  • একাউন্ট থেকে এজেন্ট অথবা ব্র্যাক ব্যাংক এটিএম থেকে টাকা তোলা
  • মোবাইলের এয়ারটাইম কেনা
  • পণ্য কেনাকাটা বা সেবার বিনিময়ে মূল্য পরিশোধ করা
  • বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ করা

বিকাশ এপস ইন্সটল করে এখনি নিয়ে নিন ফ্রী ৫০ টাকা

নিরাপত্তা ও সুরক্ষা

বিকাশ লেনদেন সম্পাদিত হয় ফান্ডামো (একটি ভিসা কোম্পানি) প্রদত্ত প্রযুক্তির মাধ্যমে যা কিনা অত্যাধুনিক এবং নিরাপদ। গ্রাহকের নিজস্ব মোবাইল নম্বরটিই হয় তার বিকাশ একাউন্ট নম্বর এবং প্রতিটি লেনদেনেই গ্রাহককে তার নিজের পিন প্রদানের মাধ্যমে অনুমোদন দিতে হয়। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসে এই ২ টি জিনিস অর্থাৎ গ্রাহকের নামে নিবন্ধিত মোবাইল সিম এবং পিন নম্বরের সমন্বয়ে তার একাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

 

রেগুলেশন এবং পলিসি

বিকাশ সেবাটি বাংলাদেশ ব্যাংক জারিকৃত নির্দেশনা “গাইডলাইন্স অন মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস ফর দ্যা ব্যাংকস এবং ব্যাংক লেড মডেল অনুসরন করে পরিচালিত। বিকাশ একাউন্ট খুলতে একজন গ্রাহককে পুর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে নির্ধারিত গ্রাহক নিবন্ধন ফর্ম (কেওয়াইসি) পূরণ করতে হয়।

বর্তমানে ব্যবহারকারীর দিক থেকে বিকাশ প্রথম অবস্থানে রয়েছে। বিকাশ এপস ইনস্টল করার জন্য এবং বিকাশ এপস এ রেফার করার জন্য উভয়কে  বিকাশ ৫০ টাকা বোনাস দিচ্ছে…. বিস্তারিত।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

 

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ