এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

২ ডলার থেকে ১০০ ডলার ইনকাম করুন অনলাইনে (প্রথম পর্ব)

লেখক: মো: নজরুল ইসলাম দুলু

নতুনদের অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে নতুনদের জন্য যা যা করণীয়-

১. একটি কম্পিউটার ও একটি মডেম থাকতে হবে। মডেম না থাকলে মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট কানেকশন করা যেতে পারে। বা সরাসরি মোবাইলে ইনকাম করতে পারবেন।
২. কাজ করার জন্য প্রতিদিন অন্তত ১ ঘন্টা সময় থাকতে হবে। এবং কাজে ফাঁকি না দিয়ে দৈনিক কাজ করতে থাকবেন।
৩. যে সাইটগুলোতে কাজ করবেন সেগুলো অবশ্যই লিগেল, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বস্ত হতে হবে। এটি অনলাইন ইনকামের অতি মূল্যবান একটি কথা বা অনলাইন আয়ের মূলমন্ত্র।
৪. রাতারাতি বড়লোক হবার স্বপ্ন দেখা চলবে না। আস্তে আস্তে আয়ের গতি বাড়বেই। এতে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
৫. যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অনলাইনের কাজ শিখতে হবে এবং টাকা ইনকাম ও টাকা উত্তোলনের নিয়ম-কানুন জানতে হবে।
৬. প্রতিটি অনলাইন ইনকামকারীর একটি নিজস্ব ওয়েভসাইট অথবা ফ্রি ওয়েভসাইট অথবা ফ্রি ব্লগ সাইট থাকা স্থায়ী ইনকামের জন্য জরুরী।

৭. প্রতিটি অনলাইন ইনকামকারীর একটি করে Gmail একাউন্ট, একটি করে YouTube Channel, একটি করে Admob একাউন্ট ও একটি করে FaceBook Page থাকা একান্ত প্রয়োজন।
৭.  প্রত্যেক ইনকামকারীকে দৈর্য্যশীল ও আত্ববিশ্বাসী হওয়া চাই, নইলে হতাশ হয়ে পড়তে পারেন অনলাইনের এই বিশাল আয়ের জগতে।

 

অনলাইন Earnings জগতে আমাদের কি কি থাকা দরকার?

অনলাইনের এই আয়ের জগতে প্রতিষ্টিত হওয়ার গোপন চাবি তো আপনারই হাতে। এখানে একটি কথা না বলে পারছি না আর তা হলো অনলাইনে কাজ করে বর্তমানে শতকরা প্রায় ৫০/৬০ জন ব্যক্তিই সফল হচ্ছেন। এজন্য লাগবে আপনার পরিশ্রম, মেধা, আত্মবিশ্বাস, দৈর্য্য ও ভাগ্যে। অনলাইনে কাজ করে কিভাবে প্রতিষ্টিত হতে পারবেন আজ তারই একটি নির্ভরযোগ্য আলোচনা করব পাঠকদের জন্য।


প্রতিটি অনলাইনের আয় শুরু হয় খুবই অল্প দিয়ে। আসুন কিভাবে এই অল্প আয়কে বিশাল আয়ে পরিণত করতে পারি সেই গোপন রহস্য জেনে নেই। আর অনলাইনের ক্যারিয়ার জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে মনোযোগী হই।

নিচে আপনাদের আত্ববিশ্বাস বাড়ানোর জন্য কয়েকটি কার্যকরি কৌশল Point আকারে তুলে ধরছি-

অনলাইনের কাজকে একটি চাকরি মনে করুন

একজন লোক ক্লাস ওয়ান থেকে এমএ পাস করতে কমপক্ষে সময় লাগে ১৭-১৮ বছর। তারপর চাকরি পেতে হলে আরো যে কত দিন অপেক্ষা করতে হয়, নেতাদের পিছে পিছে ধরনা দিতে হয় কিংবা ঘুষের টাকা হাতে নিয়ে অনিশ্চিত পথে হাঁটতে হয় তা তো সবারই জানা। তারপর ভাগ্য আপনার ফেভারে থাকলে চাকরি পাবেন কিন্তু বেতন তো মনের মতো না। আপনি নিজেকে বুঝালেন, যাক, একটু সবর রাখি, পরে হয়ত আরো ভাল কিছু পাব। এইভাবে অনেকেই জীবন শেষ করে দেন কেবল আশায় আশায়।

আর আপনি যদি অনলাইনে কাজ করে মাত্র ৩-৪ মাসে রাতারাতি বড়লোক হতে চান এটা কি যুক্তিসঙ্গত চিন্তা? বিষয়টি একটু ভেবে চিন্তে দেখতে অসুবিধা কোথায়? কাজেই আপনার অনলাইনের কাজকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চাকরি ভেবে দৈনিক কাজ করে যান বিরামহীনভাবে।

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করুন

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আপনার কাজের গতিকে করবে গতিশীল এবং আয়ের পরিমাণ হবে আশানুপাত। কোন সময়ে কোন কাজ করবেন তার একটি বিজ্ঞানসম্মত রুটিন তৈরি করুন আর আপনার মূল্যবান সময়কে কাজে লাগান। মনে রাখবেন, Time is money. ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে- Time and tide waits for none. সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।

সহযোগী দল বা বন্ধু তৈরি করুন

যৌথ প্রয়াস সব সময় কাজের গতিকে করে ত্বরান্বিত। একার পক্ষে যা সম্ভব নয়, সমবেত প্রচেষ্টায় তা হয়ে উঠে সহজ। মনে রাখবেন অনলাইন আয়ের একটি বিরাট অংশ পূরণ হয় গ্রুপ তৈরি ও যোগাযোগের মাধ্যমে। একে অপরের সহযোগীতার হাত সম্প্রসারিত করুন এতে উভয়েরই মঙ্গল অনিবার্য।

ধৈর্য্য ধারন করুন

অনলাইনের কাজ করতে হলে আপনাকে খুবই ধৈর্য্যশীল হতে হবে। ইংরেজিতে বলতে গেলে বলতে হয়- “Patience is the key to success specially for Online Earnings.” 

অতি গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো অনলাইনে দৈর্য্যসহকারে মাত্র ৬-৯ মাস কাজ করুন তারপর হিসেব মিলিয়ে দেখুন আপনার জীবনে নতুন একটি অধ্যায় সুচিত হবে যা আজীবনের জন্যই উম্মোক্ত থাকবে। আপনি যদি বিদেশেও চলে যান, আপনার আয় কখনো বন্ধ হবে না। এমনকি বিদেশে পাড়ি দিলে আপনার অনলাইনের ইনকাম আরো দ্বিগুন হয়ে যাবে, এটাতো সবাই-ই জানেন। কাজেই মাত্র ৪/৫ টি মাস অনলাইনে কাজ করে আজীনের জন্য Passive Income এর পথ সুগম করে নিন।

আত্মবিশ্বাসী হউন

আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে, এরকম মনোভাব নিয়ে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যাবসায় ও অনুশীলনের দ্বারা বহু অসাধ্য কাজও অনায়াসে সমাধান করা যায়। অনুশীলন, অধ্যাবসায় ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি পর্যন্ত অর্জন করাও সম্ভব। যার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিংশ শতাব্দীর প্রতিভাধর বিজ্ঞানী আইন স্টাইন যিনি জার্মানীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মা সঙ্গীত প্রিয় ছিলেন ফলে মায়ের উৎসাহেই তিনি ৬ বছর বয়সে বেহালা বাজাতে শিখেছিলেন। লেখাপড়ায় খুবই দুর্বল হওয়ায় ৯ বছর বয়সেও তিনি স্কুলে ভর্তি হতে পারেননি। ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্য লাভের জন্য তাকে দু’দুবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল। ডিগ্রী পরীক্ষায় কোনো রকমে পাশ করতে তাকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়েছিল। স্মৃতি শক্তির স্বল্পতা হেতু তিনি স্কুলে চাকরি জোটাতে ব্যর্থ হলেন। তারপর তিনি স্মৃতি শক্তি বাড়ানোর জন্য স্বচেষ্ট হলেন। ক্রমাগত অনুশীলন ও অধ্যাবসায়ের ফলে অবশেষে স্বরণ শক্তি বাড়াতে সক্ষম হলেন। আর পদার্থ বিজ্ঞানে অর্জন করলেন নোবেল পুরষ্কার।

মনে রাখতে হবে বহুবার ব্যর্থতার সিড়ি বেয়েই সাফল্যের দরজায় পৌছতে হয়। এভারেষ্ট বিজয়ের কথাই ভাবুন। দীর্ঘ ২২ বছর অভ্যাহত প্রচেষ্টার পর দুর্গম গিরিশৃঙ্গ জয় করেছিলেন এডমান্ড হিলারী ও তেনজিং। তার পূর্বে এই রেকর্ড করতে গিয়ে ১৬ জনের প্রাণ দিতে হয়েছিল। উপলব্দি করুন এই গিরিশৃঙ্গ জয় করতে কত দু:সাহসিক অভিযানের দরকার হয়েছে।

অধ্যাবসায়, পরিশ্রম, আত্ববিশ্বাস ও সহিষ্ণুতা ছাড়া কেইবা সাফল্য লাভ করতে পেরেছে?

নিউটন বলেছিলেন, “ আমার আবিষ্কারের কারণ আমার প্রতিভা নয়। বহু বছরের পরিশ্রম ও নিরবিচ্ছিন্ন চিন্তার ফসল। যখনই যা আমার মনের সামনে এসেছে আমি শুধু তারই মিমাংশায় ব্যস্ত থাকতাম। ফলে অস্পষ্টতা থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্টতার মধ্যে উপস্থিত হয়েছি।‍‌‍”

 দার্শনিক ইয়ং বলতেন “ মানুষ যা পেরেছে, মানুষ তা পারবে।”

 নিজেকে সুস্থ রাখুন:

জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রয়োজন সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্য। নিয়মিত ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম, পরিমিত পুষ্টিকর খাবার সুস্বাস্থ্যের জন্য অতিব জরুরী।

সুস্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলতে গেলে কবি নির্মলেন্দু গুণের কথাটি খুবই মনে পড়ে। তিনি বলেছিলেন,
“আকাশের সূর্যটা যদি তুমি ছুঁতে চাও, স্বাস্থ্যটা ভালো করো এখনই শুতে যাও। ঘুম যদি ভালো হয় স্বাস্থ্যটা ফুটবে, সূর্যের সাথে সাথে ঘুম থেকে উঠবে।” Read More …

আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে ভিজিট করে আসেন

এখানে ক্লিক করেন

Comments (No)

Leave a Reply