এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

টাকা ছাড়াও যেভাবে শুরু করতে পারেন কাঙ্খিত ব্যবসা

অনেকেই আছেন প্রবল ইচ্ছা শক্তি, পরিকল্পনা থাকার পরও ব্যবসা শুরু করতে পারছেননা।+

কিন্তু মজার ব্যপার হচ্ছে শুধু পয়সা অল্প থাকার কারণে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না এটা কিন্তু ঠিক না। এটা ধরুন বাজারের একটা ভুল গল্প, যা বেশ দারুণ ভাবে ছড়িয়ে গেছে। কথা হচ্ছে এমত অবস্থাতেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। রয়েছে আরো অনেক গুলো পথ। অল্প বাজেট দিয়ে ব্যবসা করা অবশ্যই সম্ভব, শুধু যদি আপনার থাকে বুক ভরা সাহস, ধৈর্য, কাজ পরিচালনার দক্ষতা, এবং যা আপনি করতে যাচ্ছেন তার প্রতি স্পষ্ট ধারনা।

অনলাইনে ব্যবসা:

ব্যবসা হতে পারে এখন অনলাইনেই। তবে ঐ যে শুরুতেই যা বলেছি, আপনার দরকার শুধু সাহস, কাজের দক্ষতা। যেমন ধরুন, আপনি নিজে কিছু প্রোডাক্ট তৈরী করেছেন সেটা নিয়ে আপনি হাজির হতে পারেন নানা ধরণের অনলাইন মার্কেটে। আপনার নিজের তৈরী এবং কিছুটা ইউনিক আইডিয়ায় তৈরী প্রোডাক্ট হলে তো কথাই নেই।

যেমন আন্তর্জাতিক বাজারের ক্ষেত্রে আছে –

* Abe’s market : এরা কাজ করে প্রাকৃতিক এবং জৈব পণ্য নিয়ে। যেমন আপনার হাতে তৈরী মোমবাতিসহ আরো অনেক পণ্য নিয়ে হাজির হতে পারেন এইখানে।

* Etsy : এটা বিশ্ববাজারের অন্যতম বড় একটি অনলাইন বাজার। এখানে আপনি প্রায় ঘরে তৈরী করা সব কিছু যেমন বাচ্চাদের খেলনা থেকে শুরু করে সাধাসিধে গয়না ইত্যাদি নিয়েও কাজ করতে পারেন।

* Bonanza : বিশ্ববাজারে বেড়ে উঠছে এমন আরেকটি অনলাইন মার্কেট প্লেসের নাম বোনানযা। এইখানেও আপনি আপনার হাতে তৈরী জিনিসের প্রদর্শনী এবং বিক্রি করতে পারবেন।

আপনি অনলাইনে নিজের হাতের তৈরী জিনিস ছাড়াও এমন জিনিসও বিক্রি করতে পারেন যা আগেও তৈরী হয়েছে। যেমন আপনি চীন থেকে হোল সেলে অনেক পণ্য আনতে পারেন, কিন্তু যেহেতু এটাতে একটু বেশী পয়সা দরকার হয় তাই অন্যেরা যারা আনছেন তাদের কাছ থেকে আপনি আপনার পণ্য গুলো হোল সেলে কিনে নিতে পারেন, এবং সেটার সংখ্যা কম হলেই ভাল।

প্রথমেই ই-কমার্স সাইটের কথা না ভেবে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধম্যেই আপনার পণ্যের প্রচার করতে পারেন।

পরবর্তীতে যদি ই- কমার্স দরকার হয় তাঁর জন্য রয়েছে দুটি বিশ্বস্ত চ্যানেল –

* Drop shipping
* thrift stores and garage sales

সেবা বিক্রয়:

এখানে বলা হচ্ছে সেবা বিক্রয়ের কথা। আপনি কোন পণ্য বিক্রি না করে নিজেই দিতে পারেন সেবা আর আয় করতে পারেন অর্থ। ব্যপক পরিমান সেবা আপনি আপনার গ্রাহকদের প্রদান করতে পারেন, আপনার চাহিদা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী।

যেমন, কর্মজীবি মায়েদের জন্য ডেকেয়ার, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, অর্গানিক খাবার বিক্রয় ইত্যাদি

আপনি ঠিক যে কাজ গুলো পারেন তার একটি প্রোফাইল তৈরী করে অনলাইন বাজারে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরী করে ফেলুন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দ্বারা এর একটা মার্কেটিং করে ফেলুন, ব্যাস তারপর চেক করুন আপনার ই-মেইল আর মোবাইল, সেই কাঙ্খিত ফোনগুলোর জন্য।

কম খরচে আপনার গ্রাহকদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করুন:

যেহেতু আপনি নতুন আর আপনাকে বাজারে টিকে থাকতে হবে তাই এই ক্ষেত্রে আপনি শুরুতেই অল্প লাভে ব্যবসা করার চেষ্টা করুন, এতে আখেরে আপনারই লাভ। কারণ ব্যবসা একদিনের নয়।

Comments (No)

Leave a Reply