এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

অনলাইন ট্রেডিংয়ের ৭ টি উপায়

অনলাইন ট্রেডিংয়ের জন্য অনেক শৃখলার প্রয়োজন এবং যদি অনভিজ্ঞ – যোগ্য সিদ্ধান্তের সাথে মিলিত হয়ে যায় তাহলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে | স্টক মার্কেটের ব্যবসায়িক যাত্রাকে কম ঝুঁকিপূর্ণ করার জন্য একজন মানুষের প্রচুর বিষয়ভিত্তিক ও টিপস সম্পর্কিত জ্ঞান থাকার প্রয়োজন |

অনলাইন ট্রেডিংয়ের ৭ টি উপায় 1

ট্রেডিং – শেয়ার / কমোডিটিতে করা যেতে পারে | এইখানে ট্রেডিং বলতে কোনো স্টক বা কোমোডিটির সেম দিনে কেনা – ও বিক্রয় করা থেকে ২/৩ দিন অপেক্ষা করে বিক্রয় করার দিকে ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে | একই দিনে কেনা ও বেচা হলে তাকে ইন্ট্রাডে এবং ২/৩ দিন অপেক্ষা করে বিক্রয় করা হয়ে তাকে সুইং ট্রেডিং বলা হয়ে থাকে |

২-৩ সপ্তাহের জন্য কোনো ট্রেডিং করা হলে তাকে পজিশনাল ট্রেডিং বলা হয়ে থাকে |

ট্রেডার হিসাবে সফল হওয়ার জন্য, কীভাবে স্টকগুলি বাছাই করতে হবে এবং সফল ট্রেডিং কৌশলগুলি ব্যবহার করতে হবে তার জ্ঞান অর্জন করা জরুরী। আপনার ট্রেডিং যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে, আমাদের কাছে ৭ টি অনলাইন ট্রেডিং সিক্রেটস সংযুক্ত হয়েছে যা বাজারে বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত দরকারী ও উপকারী |

বর্তমান মার্কেটের চরিত্র উচ্চ ভোলাটিলিটি সম্পন্ন – এখানে অনেক অনলাইনে ট্রেডিংয়ের সুযোগ বর্তমান রয়েছে  – অন- পয়েন্ট ইন্ট্রাডে স্ট্রাটেজির সাহায্যে আপনি আপনার মূলধনের থেকে রিটার্ন জেনারেট করতে সক্ষম হবেন |

১. হোম ওয়ার্ক করুন – প্রতিদিন নিয়ম করে জ্ঞান সঞ্চয়ের চেষ্টা করুন : –

ট্রেডারদের সর্বদা মনে রাখতে হবে  – :গুণগত মান সম্পন্ন রিসার্চ ” – ইন্ট্রাডে ট্রেডিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় | গবেষণা / রিসার্চের গুরুত্বকে উপেক্ষা করে বেশিরভাগ মানুষ সর্বাধিক ভুল করে থাকেন | ট্রেডিং সম্পর্কিত বেসিক জ্ঞান ছাড়াও এখন ট্রেডারের উচিত শেয়ার বাজার সম্পর্কিত সংবাদ ও আপডেটগুলি সম্পর্কে অবগত থাকা | ট্রেডিং করতে চান এবং আপনি যেসকল স্টকের বিষয়ে বেশি পরিমানে আত্মবিশ্বাসী –  এমন সকল স্টকের একটি তালিকা তৈরী করুন | ফিনান্স সম্পর্কিত যতটা পারবেন নিউস দেখুন এবং আপডেটেড ব্লগ গুলির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করুন | 

২. কখনো কখনো ট্রেন্ডকে অনুসরণ করুন :-

ট্রেডিং সময় ট্রেন্ডকে অনুসরণ করুন যা আপনার কোনো ক্ষতি করবে না – ওপর দিকে দেখতে গেলে এতোই সত্যিই ফলদায়ক | বুল মার্কেটের সময় একজন ট্রেডারকে অবশ্যই সেই সকল স্টক বাঁচতে হবে যাদের মধ্যে দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা বর্তমান , ওপর দিকে বেয়ার মার্কেটের সময় যে সকল স্টকেরদামের মধ্যে পতন দেখার সম্ভাবনা রয়েচ্বে সেইগুলি সনাক্তকরণ করার প্রয়াস করতে হবে | এছাড়া আপনার প্রিয় স্টকের উপর আপনি যদি গভীর গবেষণা করে থাকেন এবং আর থেকে রিতার আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে সেই ক্ষেত্রে সেই ষ্টোকে বিনিয়োগ করা উচিত | 

৩. ট্রেডিংয়ের উপযোগী তহবিল / মূলধন সংগ্রহ করুন  :- 


ব্যর্থতা যে কোনও ধরণের বিনিয়োগের একটি অংশ এবং ট্রেডিং এর ব্যতিক্রম নয়।আপনি যদি সফল ব্যবসায়ীদের কৌশলগুলি অনুসরণ করেন তবে এই পয়েন্টটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। যে পরিমান অর্থ আপনি ট্রেডিং এর কাজে লাগাতে চান তার থেকে বেশি পরিমান অর্থ গচ্ছিত রাখুন – যদি আপনার লগ্নিতে কখনো লস হয়ে যায় সেই ক্ষেত্রে আপনার বর্তমান লগ্নি অপেক্ষা বেশি গচ্ছিত অর্থ আপনার ট্রেডিংকে বন্ধ হতে দেবে না | একজন ট্রেডারের সর্বদা মনে রাখা উচিত এতো একটি সম্ভাবনাময় বিজনেস – এখানে হতেও পারে আবার নাও হতে পারে এই রকম সম্ভাবনা সর্বদা রয়েই যাবে |

৪. সময়কে টাকার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখুন :-

দিনের বেশিভাগ অংশ ইন্ট্রাডে ট্রেডিং করার জন্য নিবেশ করতে হয় তাহি অনেক ক্ষেত্রেই এটিকে ডে ট্রেডিং বলা হয়ে থাকে | প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল এবং অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল তাই একজন ট্রেডারের মার্কেটকে ট্র্যাক করে ট্রেডিংয়ের সুযোগগুলিকে স্পট করতে হয় – এই সুযোগ ব্যবসায়িক ঘন্টার যেকোনো সময়ে উত্তাপিত হতে পারে |

কিছু ট্রেডার ইন্ট্রাডে ট্রেডিংকে বেশি লাভজনক মনে করেন – কিন্তু এটির সাথে কিছু ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকার কারণে মাঝে মাঝে ক্ষতির সম্মুখীন হতেও হয়ে থাকে | অতএব, একটি সঠিক কৌশল অবলম্বন করা এবং এটি নিখুঁতভাবে সম্পাদন করা এর পক্ষে অতীব গুরুত্বপূর্ণ | টাইম পিরিয়ড বিশ্লেষণ ইন্ট্রাডে ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ যা বাজারের অতীত, বর্তমান এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যত সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে থাকে |  ব্যবসায়ী স্বল্পমেয়াদী বা দীর্ঘমেয়াদী জন্য ট্রেড করছে কিনা তা বিবেচনা না করেই, সময় বিশ্লেষণে দক্ষ হয়ে ওঠার বিষয়টি ইন্ট্রাডে ট্রেডিংয়ে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি |  ইন্ট্রাডে ট্রেডিং চার্ট সময় বিশ্লেষণের জন্য মূল্যবান এবং নিয়মিত বিরতিতে দামের গতিবিধি প্রদর্শন করে। এটি ট্রেডারদের ওপেন পজিশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবিষ্যৎ ট্রেডিং পরিকল্পনা তৈরিতে  সাহায্য করে থাকে |

৫. বেশি পরিমান নয় – প্রথমে ছোট বিনোয়োগ দিয়ে শুরু করুন :-

আপনি যদি শিক্ষানবিস হয়ে থাকেন তাহলে ইন্ট্রাডে ট্রেডিং সেশনের সময় সর্বাধিক এক থেকে দুটি স্টকের ওপর ফোকাস করুন | ট্র্যাকিং এবং নতুন সুযোগে প্রত্যাশা করা কয়েকটি স্টক দিয়ে আরও সহজ। সাফল্য আপনার কাছে আসবে যদি আপনি যথেষ্ট পরিমাণে দৃঢ় সংকল্পের সাথে লেগে থাকতে পারেন | 

আপনি যদি গবেষণার গভীরে ঢুকতে পারেন তাহলে দেখবেন ৭৫% নতুন বিনিয়োগকারী প্রথম ৩ মাসের ম্যধেই ট্রেডিং ছেড়ে দিয়েছেন | ৬ মাসের মধ্যে ৯০% নতুন মানুষ  মার্কেট থেকে ভ্যানিশ হয়ে যাবে | কেবলমাত্র এই প্রাথমিক তথ্যগুলি প্রমাণ করে যে আপনি যদি কমপক্ষে ৬ মাস ধরে ট্রেডিংয়ের কাজে লেগে থাকতে পারেন  তবে আপনার  ইতিমধ্যে ৯০% এর বেশি লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৬. সময় এবং ট্রেন্ডকে বিশ্লেষণ করুন :-

মার্কেট ওপেন হওয়ার সাথে সাথেই ভোলাটিলিটির কারণে ওপেন অর্ডার এক্সিকিউট হয় – একজন অভিজ্ঞ ট্রেডার এই সময়ে নিখুঁত বিচার করে প্রফিট যায় করতে পারেন | কিন্তু শিক্ষানবীশদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে মার্কেট শুরুর প্রথম ১৫- ২০ মিনিট মার্কেটের গতি প্রকৃতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে | মার্কেট আওয়ারের মধ্যবর্তী সময়টি কম ভোলাটাইল হয় এবং শেষের ঘন্টা যত এগিয়ে আসবে ভোলাটিলিটি পুনরুজ্জীবিত হতে দেখা যায় | 

৭.পদ্ধতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ :-

ট্রেডিংয়ের জন্য সমস্ত সময় উত্সর্গ করা বাধ্যতামূলক নয়, তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনার ট্রেডিংকে / ব্যবসাকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত। এমনকি আপনি যদি সপ্তাহে মাত্র কয়েক ঘন্টা ট্রেড করে থাকেন তাহলেও কোনো মোটেই শখের মতন হালকা ভাবে নয় ওই  কয়েক ঘন্টাটিকে ব্যবসা / ট্রেডিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসাবে বিবেচনা করুন। আমি জানি প্রচুর লোক শেয়ার মার্কেটে আসে পরীক্ষানিরীক্ষা করতে – কেউ অর্থউপার্জন করতে – কেউ আবার নতুন শখ পূরণ করার জন্য | ক্রিকেট বা তাদের পছন্দসই খেলাধুলা দেখার চেয়ে এটি মোটেও আলাদা নয়|

শেষ কথা:

শেয়ার বাজার অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা বজায়রক্ষার জায়গা |  যে সমস্ত লোকরা রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ট্রেডিং করতে আসে  তারা সম্ভবত বড় সময় ব্যর্থ হয়। সঠিক ট্রেডিং কৌশল না থাকার কারণে ও কৌশিক অনুসরণ না করার কারণে অনেক ট্রেডের ইন্ট্রাডে ট্রেডিংয়ে অসফল হন | যদি আপনি সত্যিই উৎসাহী হন এবং শুধু মাত্র শখের বসে না এসে প্রকৃত জ্ঞান সঞ্চয় করে ট্রেডিং করার প্ল্যানিং করে  পদার্পন করেন এবং দীর্ঘমেয়াদি সময়ের জন্য মার্কেটে থাকার পরিকল্পনা থাকলে তবেই অপনি এইখানে টিকে থাকতে পারবেন |

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ