এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

Gray hut SEO Tutorial – 10 টি গ্রে হ্যাট SEO কৌশল

এসইও জগৎ এ আছেন কিন্তু ব্লাক হ্যাট এসইও , হোয়াইট হ্যাট এসইও , গ্রে হ্যাট এসইও এই শব্দগুলির সাথে পরিচিত না এই রকম মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে , যা ই হোক তাও আমি সংক্ষিপ্ত ভাবে গ্রে হ্যাট এসইও কি তা বুজিয়ে দিচ্ছি ।

আমি সব সময় ই বলি , নেইল পাটেল এর SEO করার কৌশল এবং ব্রেইন ডিন এর SEO করার কৌশল এক নয় । হয়তো মূল স্তম্ভ সবার একই । অনেকেই বলে White Hat SEO বলতে কিছু নেই , সব ই মিডিয়ার সৃস্টি 🙂 । যা ই হোক ঐ আলোচনায় না যাই ।

Gray hut SEO Tutorial – 10 টি গ্রে হ্যাট SEO কৌশল

এক নজরে বিস্তারিত [hide]

  • 1 গ্রে হ্যাট এসইও কী ?
  • 2 গ্রে হ্যাট এসইও এর ১০ টি কৌশল
  • 3 ১) মেয়াদ উত্তির্ণ ডোমেইন থেকে ব্যাকলিংক
  • 4 ২) নিয়মিত সাইট আপডেট না করেও গুগলকে দেখানো সাইট আপডেট হয়েছে
  • 5 ৩) সোশ্যাল বুকমার্কিং এর মাধ্যমে রেংকিং বুস্ট করা
  • 6 ৪) সোশ্যাল মিডিয়া সিগনাল হ্যাক
  • 7 ৫) ব্রিজ পেজ দিয়ে টারগেটেড পেজকে রেংক করানো
  • 8 ৬) ব্রোকেন পেজ থেকে কৌশলে ব্যাকলিংক নিয়ে রেংকিং বুস্ট করা
  • 9 ৭) নিজের সাইটে নিজে মন্তব্য করা
  • 10 ৮) দাতব্য প্রতিষ্ঠানে কিছু টাকা দান করে ব্যাকলিংক নেওয়া
  • 11 ৯) প্রশ্নউত্তর সাইট থেকে নিজের ব্যাকলিংক নিজে নেওয়া
  • 12 ১০) কনটেন্ট পজিশন হ্যাক করা
  • 13 শেষ কথা

গ্রে হ্যাট এসইও কী ?

হোয়াইট হ্যাট এসইও কৌশল এবং ব্লাক হ্যাট এসইও কৌশল এর সমন্বয়ে গঠিত হয় গ্রে হ্যাট এসইও কৌশল । সাধারনত , হোয়াইট হ্যাট এসইও কৌশলকে একটি সর্বোচ্চ মাত্র পর্যন্ত ব্যবহার করে গ্রে হ্যাট এসইও করা হয় , যে টি আসলে সম্পূর্ন হোয়াইট হ্যাট এসইও এর মধ্যে পড়ে না আবার সম্পূর্ন ব্লাক হ্যাট এসইও এর মধ্যেও পড়ে না ।

উদাহরন হিসেবে বলা যায়, আমরা জানি , আর্টিকেল এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় কিওয়ার্ড ব্যবহার করে আর্টিকেলকে অপটিমাইজ করা হয় । আবার আমরা এটাও জানি “কিওয়ার্ড স্টাফিং” করা গুগল পছন্দ করে না , তা ব্লাক হ্যাট এসইও এর মধ্যে পড়ে । গ্রে হ্যাট এসইও করতে হলে আপনাকে সর্বোচ্চ ততগুলি কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে যতগুলি কিওয়ার্ড ব্যবহার করলে আপনি ব্লাক হ্যাট এর মধ্যে পড়বেন না 🙂 ।

গ্রে হ্যাট এসইও এর ১০ টি কৌশল

আজকে আমি ১০ টি কোশল দেখাবো যেগুলো কিছু মানুষ মনে করে ব্লাক হ্যাট আবার কিছু মানূষ মনে করে গ্রে হ্যাট । অনেকে তো সাদা এসইও মনে করে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে 🙂 🙂 । চলুন শুরু করা যাকঃ

১) মেয়াদ উত্তির্ণ ডোমেইন থেকে ব্যাকলিংক

এই পদ্ধতিটি অনেক বড় বড় এক্সপার্ট ই ব্যবহার করে থাকে । পুরাতন অথবা মেয়াদ উত্তির্ণ ডোমেইন খোজার জন্য অনেক টুলস আছে , একটু গুগলিং করলেই পেয়ে যাবেন । আপনার নিশ সম্পর্কিত একটি-দুইটি-তিনটি পুরাতন অথবা মেয়াদ উত্তির্ণ ডোমেইন নিন যেগুলোর ভাল ট্রাস্ট স্কোর এবং ভাল ব্যাকলিংক প্রোফাইল আছে । তারপর সেই ডোমেইন দিয়ে একটি সাইট বানিয়ে আপনার মানি সাইট এর জন্য ব্যাকলিংক নিন হোমপেজ থেকে । অথবা কস্ট কমানোর জন্য পুরো সাইটটিকে ই ৩০১ রিডাইরেক্ট করে দিতে পারেন ।

বিঃদ্রঃ যদি ইররিলেভেন্ট ডোমেইন এই টেকনিক এপলাই করেন তাহলে এইটা পিউর ব্লাক হ্যাট হয়ে যাবে ।

২) নিয়মিত সাইট আপডেট না করেও গুগলকে দেখানো সাইট আপডেট হয়েছে

অনেকেই ভাবছেন নিয়মিত সাইট আপডেট ও কি গ্রে হ্যাট এসইও এর মধ্যে পড়ে । আসলে তা না । এখানে একটা ট্রিক আছে , সেইটা হচ্ছে গুগল নিয়মিত সাইট আপডেট কে খুব পছন্দ করে । কিন্তু দেখা যায় অনেক সময় নিয়মিত সাইট আপডেট আমাদের পক্ষে করা সম্ভব হয় না । তাই যদি আপনি আপনার পোস্ট এর এডিট এ ডুকে আপডেট এ ক্লিক করে চলে আসেন তাহলেও গুগল সেইটাকে আপডেট হয়েছে ধরে নিবে । কিন্তু এই টেকনিক টা এপলাই এর জন্য আপনার সাইটে অবশ্যয় আপডেট হওয়ার তারিখটা কোডিং এ থাকতে হবে । এবং সেই তারিখটা আপনি পোস্টিং তারিখ হিসেবে আর্টিকেল এর মধ্যে দেখাতে হবে ।

বিঃদ্রঃ কোডিং এ যদি আপডেট হওয়ার তারিখটা না থাকে তাহলে এই পদ্ধতি কাজ করবে না ।

৩) সোশ্যাল বুকমার্কিং এর মাধ্যমে রেংকিং বুস্ট করা

২-৪ টা সোসাইল বুকমার্ক করা White Hat SEO এর মধ্যে পড়লেও যদি এইটা পর্যাপ্ত পরিমানে করেন তাহলে সেইটা Gray Hat SEO এর মধ্যে চলে যায় । একটি পোস্ট আপনি ইচ্ছা করলে ৫০ টা সোসাইল বুকমার্ক সাইটেও বুকমার্ক করতে পারবেন , তাতে রেংকও বুস্ট হবে । কিন্তু দিন শেষে হয়তো এই টার জন্যই আপনাকে রেংকিং হারাতে হবে কারন এইটা গ্রে হ্যাট এসইও এর মধ্যে পড়ে ।

৪) সোশ্যাল মিডিয়া সিগনাল হ্যাক

এই টিপস টি আমাদের সবার পরিচিত “Shohab Hossain Sykot” ভাই শেয়ার করেছিলো , আমি আবার এখানে ইনক্লোড করে দিলাম, যদি আপনার ২০০-৩০০ গুগল অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে এই কোশল প্রয়োগ করতে পারেন । এই পদ্ধতির জন্য আপনার সাইতে সোশাল শেয়ার বাটন লাগানো থাকতে হবে ।

মনে করেন আপনার সাইট www.bikemag.com , এখান থেকে ২০-৩০ টা পোষ্ট সিলেক্ট করেন এক্সেল ফাইলে পোষ্ট এর টাইটেল সহ সেভ করেন। এখন সপ্তাহের ৭ দিন একটা সিডিউল করে নেন প্রতিদিন ২-৩ টা পোষ্ট।
এখন VPN দিয়ে USA এর IP সেট করে প্রতিদিন ২-৩ টা পোষ্ট এর টাইটেল দিয়ে গুগলে সার্চ করবেন। দেখবেন আপনার পোষ্ট ২ অথবা ৩ অথবা ৪ নং পেজে আছে, সেখান থেকে ঐ লিঙ্ক এ ভিজিট করবেন। ঐ পোষ্ট এ অবশ্যই ২-৩ মিনিট সময় দেবেন, সাথে অন্য লিঙ্ক গুলাতেও ভিজিট করবেন। টোটাল ৪-৫ মিনিট সময় দেবেন। শেষে যেই পোষ্টে ঢুকেছিলেন গুগল সার্চ থেকে ঐ পোষ্টটা সোশাল শেয়ার প্লাগিন এর মাধ্যমে G+ এ শেয়ার দিবেন, শেয়ারের সময় অবশ্যই কিছু কথা লিখে দিবেন।, পারলে কিছু হ্যাশট্যাগ ইউজ করবেন। ১ টা IP দিয়ে ১ টা লিঙ্ক এ ১ বার ই ঢুকবেন। দিনে খুব বেশি হলে ১৫ মিনিটের কাজ।

বিঃদ্রঃ অবশ্যয় আইপি পরিবর্তন করতে হবে । প্রতিদিন ৪-৫ টার বেশী করবেন না ।

Gray hut SEO Tutorial – 10 টি গ্রে হ্যাট SEO কৌশল 1

৫) ব্রিজ পেজ দিয়ে টারগেটেড পেজকে রেংক করানো

ব্রিজ পেজকে ডোরওয়ে পেজের সাথে তুলনা করা যায় । ডোরওয়ে পেজের ব্লাকহ্যাট এবং গ্রে হ্যাট দুই ভার্সন এর হয় । প্রথমে জেনে নেওয়া যাক ব্রিজ পেজ/ডোরওয়ে পেজ মানি কি ? সহজ কথা হচ্ছে আপনার একটা রুম , সেই রুমের একটা দরজা আছে যেখান দিয়ে সবাই এমনিতেই প্রবেশ করতে পারে । আপনি কি করলেন আপনার রুম এর চার পাশে চারটা জানালা দিলেন বড় করে , যাতে মানুষ ইচ্ছা করলে ঐ জানালা দিয়েও রুম এ ডুকতে পারবে 🙂 । রুমটা আপনার টারগেটেট পেজ আর জানালা গুলি হচ্ছে আপনার ক্রিয়েট করা ডোরওয় পেজ। নিচের ইমেজ টা দেখুন বুজে যাবেন ……

doorway pages

তাহলে আপনার সাইটে এটি এপলাই করবেন কীভাবে ? আপনার সাইটের মেইন কিওয়ার্ড যতগুলি LSI আছে সবগুলি LSI নিয়ে একটি একটি পেজ করেন । পেজ করার পর সেই পেজে কিছু উইনিক কনটেন্ট দিয়ে আপনার টারগেটেট পেজ এ লিঙ্ক করে দেন। অবশ্যয় ঐ পেজে সম্পূর্ন কনটেন্ট দিবেন না যাতে ভিজিটর ঐ পেজে গেলেও আপনার টারগেটেড পেজে আসতে বাধ্য হয় । যখন আপনি ডুপলিকেট কনটেন্ট দিয়ে ব্রিজ পেজ বানাবেন তখন এইটা পিউর ব্লাক হ্যাট হয়ে যাবে ।

বিঃদ্রঃ ব্রিজ পেজ খুবই রিস্কি একটি গ্রে হ্যাট টেকনিক, কিন্তু আমরা অজান্তেই এইটা এপলাই করে ফেলি । তাই খুব সতর্কতার সাথে এপলাই করা উচিত ।

৬) ব্রোকেন পেজ থেকে কৌশলে ব্যাকলিংক নিয়ে রেংকিং বুস্ট করা

আমরা মোটামুটি সবাই জানি যে ব্রোকেন লিঙ্ক বিল্ডিং করা অনেক সময় এবং পরিশ্রমের ব্যাপার । কিন্তু আজকে আমি একটি পদ্ধতি বলবো, যে পদ্ধতিতে আপনি নিজেই ব্রোকেন লিঙ্ক বানাবেন আবার নিজেই ঐ ব্রোকেন লিঙ্ক ফিক্স করে লিঙ্ক জুস পাস করবেন । খুব মজার একটি পদ্ধতি , আপনি যখন কোন পরিচিত ব্যাক্তির থেকে ব্যাকলিংক নিবেন তখন ঐ ব্যাক্তিকে অবশ্যয় একটি আর্টিকেল দিতে হয় যেই আর্টিকেল এর ভিতর থেকে আপনি একটি ব্যাকলিংক নিয়ে থাকেন । এই পদ্ধতি এপলাই করতে হলে আপনার কাজ হবে আর্টিকেল যখন পাবলিশ (গেস্ট পোস্ট অথবা ব্যাকলিংক নেওয়ার জন্য) হবে তখন আপনি আপনার ‘মানি সাইটের’ জন্য ব্যাকলিংক নিবেন না , প্রথম পর্যায়ে যেকোন একটি অথরিটি সাইটের লিঙ্ককে ব্রোকেন করে সেই লিঙ্ক এঙ্কর টেক্সট দিয়ে আর্টিকেল থেকে ব্যাকলিংক দিবেন । যখন গুগলে আর্টিকেল এবং ব্যাকলিংকটি ইনডেক্স হয়ে যাবে , অথবা কিছুদিন পর (১০-১৫ দিন) আপনি সেই ব্রোকেন লিঙ্ক ফিক্স করে আপনার মানি সাইটের লিঙ্ক বসিয়ে দিবেন । তাহলে গুগল মনে করবেন আপনি একটি ব্রোকেন লিঙ্ক থেকে লিঙ্ক বেক পেয়েছেন 🙂 ।

বিঃদ্রঃ অবশ্যয় একই আইপি তে থাকা সাইটে এই পদ্ধতি এপলাই করবেন না । যদি নিজের সাইট থেকে নিজের সাইটে ব্যাকলিংক নিতে চান এই পদ্ধতিতে তাহলে অবশ্যয় সব ধরনের নিরাপত্তা মেইনটেইন করে তারপর নিবেন ।

৭) নিজের সাইটে নিজে মন্তব্য করা

এটি আরেকটি জনপ্রিয় পদ্ধতি , অনেক বড় বড় এক্সপার্টরাও এই পদ্ধতি প্রকাশ করতে চায় না । অনেকেই জানেন গুগল রোবট মন্তব্য পড়তে পারে । যখন আপনার সাইটে গুগল রোবট এসে অনেক এংগেজমেন্ট দেখবে তখন স্বাভাবিক বিষয় গুগল ধরে নিবে আপনার লিখাটি অবশ্যয় ইউসারদের পছন্দ হয়েছে এবং উইসার এটি দ্বারা উপকৃত হচ্ছে । যা ফলে গুগল নিজেও সেই লিখাকে ধীরে ধীরে পছন্দ করতে শুরু করে, আর গুগল পছন্দ করার অর্থ …… থাক আর নাই বললাম 🙂 । কীভাবে নিজের সাইটে নিজে পন্তব্য করবেন ? এর জন্য আপনাকে অবশ্যয় আলাদা কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে অথবা ভিপিএনও ব্যবহার করতে পারেন । প্রথমে, ভিন্ন কোন কম্পিউটার থেকে গুগলে আপনার কিওয়ার্ড সার্চ দিয়ে আপনার সাইটে প্রবেশ করুন, তারপর নিজে একটি মন্তব্য করে আসুন , মনের রাখবেন , নাম – ইমেইল – মন্তব্য করার আইপি ইত্যাদি যেন আলাদা আলাদা হয় ।

বিঃদ্রঃ মন্তব্য অবশ্যয় ৫০-১০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে রাখার চেস্টা করবেন , ইমেলে যাতে গ্রাভেটর এড করা থাকে । মন্তব্য গুলি একদিনে করবেন না , সময় নিয়ে ন্যাচারেলি করার চেস্টা করবেন

৮) দাতব্য প্রতিষ্ঠানে কিছু টাকা দান করে ব্যাকলিংক নেওয়া

নিশ্চয় সবাই জানেন চ্যারিটি সাইটের কথা , যাদেরকে অনলাইনেই দান করা যায় । আপনার কাছাকাছি/রিলেটেড কিছু দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সাইট খুজোন যাদেরকে মিনিমাম ২-৫ ডলার দান করা যায় । তাদের দান করুন , দান করে তাদের নিয়ে ছোট একটা আর্টিকেল লিখে ফেলুন আপনার সাইটে তারপর তাদের মেইল করুন ধন্যবাদ হিসেবে আপনার ঐ লিঙ্ক কে তাদের সাইটে এড করে দেওয়া জন্য । তারপর আপনি আপনার ঐ পোস্ট থেকে আপনার মেইন কিওয়ার্ড দিয়ে ইন্টারনাল লিঙ্ক করে জুস পাস করে নিন 🙂 । ১০ টা লিঙ্ক নিয়েই দেখুন না কি হয় 😉

বিঃদ্রঃ যদিও পেইড লিঙ্ক ব্লাকহ্যাট এর মধ্যে পড়ে কিন্তু এটি ব্লাকহ্যাট না , এমনকি এটি দ্বারা আপনার বড় কোন ক্ষতির সম্ভাবনাও নেই । কিন্তু অবশ্যয় একসাথে বেশি নিবেন না , তাহলে লিঙ্ক স্প্যাম হয়ে যাবে ।

৯) প্রশ্নউত্তর সাইট থেকে নিজের ব্যাকলিংক নিজে নেওয়া

অনেকেই জানেন , প্রশ্নউত্তর সাইট থেকে ব্যাকলিংক নেওয়া যায় নিজের রিলেটেড নিশ এর প্রশ্নের উত্তর দিয়ে । যখন ব্যাকলিংক নেওয়া ই আপনার মূল উদ্দেশ্য হবে তাহলে এতো কস্ট করে উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন কি ? 🙂 আসুন জেনে নেই কীভাবে প্রশ্নউত্তর সাইট থেকে নিজের ব্যাকলিংক নিজে নিবেন । প্রথমে প্রশ্নউত্তর সাইটে একটি একাউন্ট খুলে আপনি আপনার নিশ রিলেটেড একটি প্রশ্ন করুন । তারপর ১ দিন পর ভিপিএন দিয়ে আইপি চেইঞ্জ করে ঐ সাইটে আরেকটি একাউন্ট খুলে আপনার প্রশ্নের উত্তর আপনি ই দিয়ে দিন 🙂 । একটি ব্যাকলিংক পেয়ে গেলেন , সাথে সাথে অন্য কেউ এই প্রশ্নের এন্সার দেখতে আসলে সেখান থেকেও কিছু ভিজিটর পাবেন ।

বিঃদ্রঃ আইপি চেইঞ্জ করে একাউন্ট না খুললে ২ টা একাউন্ট ই ব্যান খাবেন ।

১০) কনটেন্ট পজিশন হ্যাক করা

এইটা সম্পূর্ন একটি ট্যাকনিক্যাল বিষয় । সাধারনত দেখা যায়, ভিজিটর যখন প্রথম এক দুই লাইন পরেই তার কাক্ষিত তথ্যের জন্য স্ক্রোল করা শুরু করে দেয় , আবার অনেকে প্রথম প্যারা পরেই ট্যাপ ক্লোজ করে দেয় । এর থেকে বাচার জন্য আমরা অনেকেই ১-২ প্যারার পর ই “কল টু একশন” বাটন অথবা “কমপারিজন টেবিল” বসিয়ে দেই । কিন্তু একটু এডভান্স লেভেলের এক্সপার্টরা একই কাজ ভিন্নভাবে করে । যেহেতু আর্টিকেলের কোয়ালিটি ধরে রাখতে হলে অবশ্যয় আপনাকে প্রথমে ১-২ প্যারা দিতে হবেই । তাই অনেকে সেই ১-২ প্যারাকে সিএসএস দিয়ে সুবিধামত বাম পাশ অথবা ডান পাশে সরিয়ে দিয়ে থাকে ,যার ফলে উইসার আসলে সবার উপরে কল টু একশন” বাটনই দেখতে পায় ।

বিঃদ্রঃ আমাজন সাইটে এই পদ্ধতি কতটুকু ফলপ্রসু হবে আমি তা বলতে পারছি না ।

শেষ কথা

সবগুলোই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখা , কোন পদ্ধতি কখন, কোথায় থেকে পেয়েছি অথবা শিখেছি তা মনে নেই । এমনকি কয়েকটা পদ্ধতি আমার নিজের আবিষ্কার করা , যেহেতু এইগুলো গ্রে হ্যাট এসইও কৌশল তাই নিজ নিজ দায়িত্বে প্রয়োগ করবেন । নিজের বিবেক বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে আরও মডিফাই করে প্রয়োগ করতে পারেন । কারো কোন ক্ষতি হলে কতৃপক্ষ দায়ী নয় 🙂 । আপনি জেনে রাখতে পারেন , প্রয়োগ করতে হবে ই , এই রকম কোন বাধ্যবাধকতা নেই । আর হ্যা কোথায় যাচ্ছেন ? মন্তব্য করে অবশ্যয় জানাবেন কোন টিপসটা আপনার ভাল লেগেছে , আর ভবিষ্যৎ এ কোন ধরনের টিপস পেতে চান তাও জানাবেন ।

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ