ব্যাকলিংক চাইলে পাওয়া যাবে না, বরং স্প্যামিং এর অভিযোগে পড়তে পারেন। অনেকেই আছেন যারা কোন একটি সাইটে গিয়ে টিউমেন্ট করে সেখানে একটি লিংক দিয়ে চলে আসেন। আবার, অনেকে টেকটিউনস এর মতো মাল্টিব্লগিং সাইটগুলোতে গিয়ে কিছু হাবিজাবি লিখে নিজের সাইটের লিংক দিয়ে দেন। এর মাধ্যমে আপনার এই কাজকর্মগুলোকে স্প্যামিং হিসেবে দেখা হয়। আর, এইভাবে দু একটা লিংক পেলেও সেগুলো কাজে আসে না। ভুল করে গুগল সার্চে আপনার ওয়েব পেজের পজিশনের পরিবর্তন ঘটলেও পরে স্প্যাম স্কোর বেশী হওয়ায় গুগল ঐ রেজাল্ট সরিয়ে দেয়। এই টিউনের মাধ্যমে এর সমাধান দিতে চেষ্টা করবো। তার আগে বলে নেই এটি কিভাবে সার্চ রেজাল্টকে প্রভাবিত করে।
সার্চ রেজাল্টে ব্যাকলিংক এর প্রভাবঃ Backlink হচ্ছে অফ পেজ এস ই ও এর প্রাণভোমরা। মনে করুন A পেজের লিংক A1, A2, A3 এবং A4 পেজে আছে। আপনার ওয়েবসাইট B. আপনি A থেকে একটি লিংক নিলে যতটা উপকার পাবেন, বাকি সবগুলো থেকে আলাদাভাবে একটি করে মোট চারটি নিলেও প্রায় একই উপকার পাবেন। তাই হাই ডোমেইন অথরিটি, পেজ অথরিটি এর সাইট থেকে লিংক নেয়া আবশ্যক। কম হলেও উপকারী।
ব্যাকলিংক কিভাবে পেতে পারি?
স্প্যামিং বাদ দিয়ে অনেক পদ্ধতি আছে বৈধভাবে ব্যাকলিংক পাওয়ার। হাই ডোমেইন অথরিটি আর পেজ অথরিটির সাইটগুলো থেকেই পেতে পারেন, নিচে কয়েকটি পদ্ধতি লিখছি-
- প্রফাইল ব্যাকলিংক
- ফোরাম ব্যাকলিংক
- গেস্ট টিউনিং
- ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক
- ইনফোগ্রাফিক
- রিসোর্স শেয়ার ইত্যাদি
বিভিন্ন সাইট আছে যেগুলোতে প্রফাইল পেজে ওয়েবসাইট নামে একটি অপশন আছে, টেকটিউনস এ ও আছে, সেখানে প্রফাইল তৈরি করে ওয়েবসাইটের এড্রেস দিয়ে দিতে পারেন।
ফোরামে Signeture নামে একটি অপশন সেটিং এ থাকে। সেখানে এংকর টেক্সট দেয়া যায়। এটি আপনার সব টিউনের নিচে আপনার সিগনেচার হিসেবে দেখাবে। ফোরামে ভালো ভালো টিউমেন্ট করবেন, আজেবাজে টিউমেন্ট করে লিংক দিতে হবে না।
এখানে যেমন ইউনিক একটি আর্টিকেল লিখছি এরকম ইউনিক আর্টিকেল লিখলে কেউ সেটি ডিলিট করে দেবে না, এভাবে মাল্টিব্লগিং সাইটগুলোতে লিখে বা, ই মেইলে কারো ব্লগে লেখার অনুরোধ জানিয়ে সেখানে আপনি যা জানেন তা লিখে প্রাসঙ্গিক লিংক দিতে পারেন।
ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস এগুলো ওয়েব ২.০ ব্লগ। এরকম অনেক ব্লগ আছে যেগুলোতে আর্টিকেল পাবলিশ করা যাবে। সেখানেও কপি আর্টিকেল নয়, ভালো আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। এমনভাবে ব্যবহার করবেন যেন আপনার নিজের ব্লগ। এগুলোকে গুগল গুরুত্ব দেয়।
ইনফোগ্রাফিক আর রিসোর্স শেয়ার হচ্ছে অর্গানিক পদ্ধতি। আপনাকে কিছুই করতে হবে না। অন্য ব্লগাররা আপনাকে লিংক দেবে। যেমনঃ ভালো ইনফোগ্রাফিক তৈরি করে নিচে যদি embed কোড দিয়ে দেন আর সেখানে আপনার ঐ ওয়েব পেজের লিংক থাকে তারপরেও লোকে সেটা নিয়ে তাদের সাইটে এমবেড করবে। কারণ, ভালো ইনফোগ্রাফিক ভিজিটরকে বেশী সময় আর্টিকেল পড়তে সাহায্য করে যা গুগল সার্চে পজিটিভ ইফেক্ট ফেলে।

![সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন:কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে? [পর্ব ২] 2 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন:কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে?(চেইন টিউন) [পর্ব ২]](https://i0.wp.com/www.eshoaykori.com/wp-content/uploads/2016/12/how-search-engines-work-infographic-for-seo-by-wave-makers.png?w=1920&ssl=1 1920w, https://i0.wp.com/www.eshoaykori.com/wp-content/uploads/2016/12/how-search-engines-work-infographic-for-seo-by-wave-makers.png?resize=300%2C169&ssl=1 300w, https://i0.wp.com/www.eshoaykori.com/wp-content/uploads/2016/12/how-search-engines-work-infographic-for-seo-by-wave-makers.png?resize=768%2C432&ssl=1 768w, https://i0.wp.com/www.eshoaykori.com/wp-content/uploads/2016/12/how-search-engines-work-infographic-for-seo-by-wave-makers.png?resize=1024%2C576&ssl=1 1024w, https://i0.wp.com/www.eshoaykori.com/wp-content/uploads/2016/12/how-search-engines-work-infographic-for-seo-by-wave-makers.png?w=1460&ssl=1 1460w)

Comments (No)