এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

সালমান এফ রহমানের মাসিক আয়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন সালমান এফ রহমান। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ বেক্সিমকোর ভাইস চেয়ারম্যান। সালমান এফ রহমানের মাসিক আয়।ব্যবসা থেকে তার মাসিক আয় মাত্র ৫০ হাজার টাকা।

সালমান এফ রহমানের মাসিক আয় 1

রাজধানীর উপকণ্ঠে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামায় বছরে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা আয়ের যে তথ্য তিনি দিয়েছেন, তার ৯৪ শতাংশই আসে শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ও ডিবেঞ্চার থেকে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত এই ব্যবসায়ীর মোট সম্পদের আর্থিকমূল্য পৌনে তিনশ কোটির টাকার মত। এই সম্পদের ৯০ শতাংশই রয়েছে বন্ড, শেয়ার ও ঋণপত্রে।

সালমানের নিজের নামে কোনো বাড়ি ও কোনো আসবাবপত্রও নেই। আত্মীয় ও বিভিন্ন কোম্পানিকে তিনি বিনা সুদে ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকা ধার দিয়ে রেখেছেন।

সালমান এফ রহমানের মাসিক আয় 2

তার নিজের দেনার পরিমাণ ৮৪ কোটি টাকার কম, যদিও কেবল সোনালী ব্যাংকের কাছেই মার্চ পর্যন্ত তার কোম্পানি বেক্সিমকো গ্রুপের সাত হাজার টাকা ঋণ ছিল বলে গণমাধ্যমের খবর।

বেইজিংভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘হুরুন গ্লোবাল’ এর করা তালিকায় গতবছর বিশ্বের ২২৫৭ জন ধনকুবেরের মধ্যে বাংলাদেশের সালমান এফ রহমানকে ১৬৮৫ নম্বরে রাখা হয়েছিল। এর ভিত্তিতে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ‘প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি’র স্থান করে নেওয়ার খবর আসে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে।

হুরুন গ্লোবাল এর বরাত দিয়ে প্রকাশিত সেসব সংবাদে সালমানের সম্পদের পরিমাণ ১৩০ কোটি ডলার বলে উল্লেখ করা হয়। তবে সালমান সে সময় এক বিবৃতিতে বলেন, এত সম্পদ তার নেই।

সালমান এফ রহমানের মাসিক আয় 3

আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবার রাজধানীর উপকণ্ঠে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, দোহারের বেথুয়া গ্রামের সালমান ফজলুর রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭৮ কোটি ৬০ লাখ ৫ হজার ৫৬০ টাকা।

তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে ২৫০ কোটি ৮৪ লাখ ৭৪ হাজার ১৩৬ টাকা আছে বন্ড, ঋণপত্র, তালিকাভুক্ত এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে; যা মোটি সম্পদের ৯০ শতাংশের বেশি।

এছাড়া নগদ ২ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং ব্যাংকে আরও ২ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার ১২৮ টাকা থাকার তথ্য তিনি হলফনামায় দিয়েছেন।

সালমানের মালিকানায় যে গাড়ি আছে, তার দাম ৩৪ লাখ টাকা। এছাড়া তার মালিকানায় থাকা স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর আর্থিকমূল্য ১৫ লাখ ৫ হাজার টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে শেয়ারের পরে তার সবচেয়ে বেশি সম্পদ আছে ঋণ আকারে, যার পরিমাণ ২০ কোটি ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। এই টাকা আত্মীয় ও বিভিন্ন কোম্পানিকে তিনি বিনা সুদে ধার দিয়ে রেখেছেন বলে হলফনামায় জানিয়েছেন।

বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান তার অস্থাবর সম্পদের তালিকায় ২ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৮৭ টাকার অকৃষি জমি এবং ৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৯ টাকার দালান থাকার কথা বলেছেন।

মোট ৮৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার ৪১০ টাকা ঋণ বা দায় থাকার কথা বলা হলেও এর পাওনাদার কে তা উল্লেখ করা হয়নি হলফনামায়।

আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সালমান সেখানে বলেছেন, একক বা যৌথভাবে অথবা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হওয়ার সুবাদে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ঋণ নেননি।

সর্বশেষ অর্থবছরে মোট ৯ কোটি ৩৪ লাখ ৭৭ হাজার ৬২৮ টাকা আয়ের তথ্য দিয়েছেন তিনি, যার মধ্যে ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫০ টাকা এসেছে বেক্সিমকো এবং আইএফআইসি ব্যাংকের বোনাস শেয়ার থেকে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় এসেছে শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ডিবেঞ্চার থেকে, যার পরিমাণ ৪ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৮ টাকা।

এছাড়া গত অর্থবছরে চাকরি থেকে ৪১ লাখ ৯২ হাজার ২০০ টাকা সম্মানি ভাতা, ব্যাবসা থেকে ৬ লাখ টাকা এবং বাড়ি ভাড়া/দোকান ভাড়া বাবদ ৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকা পাওয়ার কথাও তিনি হলফনামায় জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসার আগে তিনি নিজের গড়া ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আন্দোলন’ থেকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারিয়েছিলেন।

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ