এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

শিক্ষা ঋন যে ব্যাংকের মাধ্যমে নিবেন

কর্মজীবনকে সমৃদ্ধ করে তোলার জন্য গতানুগতিক ডিগ্রির পাশাপাশি উন্নত ওউচ্চপর্যায়ে বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জন করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন৷ বেসরকারিকয়েকটি ব্যাংক সহজ শর্তে ছাত্রদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দিয়ে থাকে৷ আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সুযোগ করে দিতে যে ঋণ দেওয়া হয়। শিক্ষা ঋন যে ব্যাংকের মাধ্যমে নিবেন

শিক্ষা ঋন যে ব্যাংকের মাধ্যমে নিবেন 1

তাই স্টুডেন্ট লোননামে পরিচিত৷ আপনাদের সুবিধার্থে কিছু ঋণদানকারীপ্রতিষ্ঠানের ঋণদানেরশর্তসমূহ, সুদের হার, ঋণ নেয়ার জন্য যোগাযোগ করার ঠিকানা বিস্তারিত দেয়াহল

ঋণ দিচ্ছে এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠান :
দেশের অর্থনৈতিক মন্দা এবং মুদ্রাস্ফীতির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণদানেরখাতসমূহকে সন্কুচিত করে দিলেও বিশেষ সেবা প্রদান কর্মসূচির আওতায় দেশেরবেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠান ছাত্রঋণ দিয়ে থাকে৷ এর প্রধানউদ্দেশ্য, উচ্চবিত্তদের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও যেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণেরসুযোগ পায়৷ কিছু কিছু ব্যাংক একে ক্যারিয়ার লোন বলে আবার কিছু ব্যাংক একেসরাসরি স্টুডেন্ট লোন বা শিক্ষা ঋণ নামে অভিহিত করে৷ সাধারণত অভিভাবক অথবাসরাসরি শিক্ষার্থীদেরও এ ধরনের ঋণ দেওয়া হয়৷ তবে এ ক্ষেত্রে অভিভাবকঅথবা শিক্ষার্থীদের ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কিছু শর্ত মেনে ঋণ নিতেহয়৷

ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম

• এইচএসবিসি ব্যাংক
• ব্র্যাক ব্যাংক
• প্রাইম ব্যাংক
• ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
• উত্তরা ব্যাংক
• গ্রামীন ব্যাংক

ঋণ উঠানোর যোগ্যতা
ঋণ পরিশোধে সক্ষম বিবেচিত যে কেউ এই ব্যাংকগুলো থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে ঋণনিতে পারে৷ সাধারণত সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতকর্মকর্তা-কর্মচারীকে যাদের বেতন ১২-১৮ হাজার টাকা তারাই এ লোনের সুবিধাপেয়ে থাকেন৷ ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আয়ের প্রমাণ সাপেক্ষে মাসিক আয়অবশ্যই ৫০ হাজার টাকা হতে হবে৷ ২৫ বছর থেকে ৬০ বছর বয়সের যে কেউ যোগ্যতাঅনুসারে ঋণ নিতে পারবেন৷

ঋণ নেওয়ার পদ্ধতি
অভিভাবকরা যদি তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা নিতে আগ্রহী হন, তবে যেসবব্যাংক ঋণ দিয়ে থাকে সেগুলোর যেকোনো শাখায় গিয়ে মার্কেটিং/ক্রেডিটবিভাগে যোগাযোগ করতে হবে৷ সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই আপনাকেবিস্তারিত জানিয়ে দেবেন৷ তবে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি ও ডকুমেন্টযেমন-

আয়ের প্রমাণপত্র, কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সনদ ও ছাত্রছাত্রীরসম্মতিপত্র জমা দিতে হবে৷ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেনূন্যতম সময়ে আপনার কাw•ক্ষত ঋণ দিয়ে দেবে৷
এইচএসবিসি ছাত্র ঋণ

এইচএসবিসি থেকে ছাত্রঋণ নেয়ার শর্ত :
• কোনো প্রকার ব্যক্তিগত গ্যারান্টি বা নগদ জামানত দিতে হয় না
• ঋণ নিতে হলে অবশ্যই পরিবারের কোন সদস্যকে আয় করতে হবে এবং তার মাসিক আয় ১৮ হাজার থেকে ২২ হাজার হতে হবে ৷
• এইচএসবিসি ৫০ হাজার টাকা থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা অথবা ঋণ গ্রহণকারীর মাসিক আয়ের ৪ গুণ পরিমাণ ঢাকা ঋণ দিয়ে থাকে৷
• ঋণের সুদের হার ১৮%
• তুলনামূলক কম সুদে এই ঋণ পরিশোধ করতে হয় ১২, ২৪, ৩৬, ৪৮ ও ৬০ মাসের মধ্যে৷
• স্টুডেন্ট ফাইল খোলার সুবিধা আছে৷
• যদি কোনো আউটপুট অথবা সিইপিএস গ্রাহক ছাত্রঋণ নিতে চায়, তবে তাকে ৬ ও ১০গুণ হিসেবেও ঋণ দেওয়া হয়৷ তবে তা সর্বোচ্চ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশিনয়৷

শিক্ষা ঋন যে ব্যাংকের মাধ্যমে নিবেন 2

© http://www.hsbc.com.bd

© http://www.bracbank.com

ব্র্যাক ব্যাংকে সরাসরি এডুকেশন লোন স্কিম না থাকলেও পার্সোনাল লোন স্কিমের মাধ্যমে লোন দেয়৷
ব্র্যাক ব্যাংক শিক্ষাঋণের শর্তসমূহ
• দেশের বাইরে পড়াশুনার জন্য ঋণ প্রদান করে থাকে৷
• কোন জামানত ছাড়া১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করা যায়৷
• সবোর্চ্চ ঋণ দেয়ার পরিমান ৩০ লাখ টাকা
• ঋণ পরিশোধ করার জন্য সময় পাওয়া যায় ১-৪ বছর৷
• ঋণ পরিশোধের হার ১৫%
• ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে ৷
• বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে ৷

শিক্ষা ঋন যে ব্যাংকের মাধ্যমে নিবেন 3

প্রাইম ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার শর্তসমূহ :
• শিক্ষা ঋণ ছাত্র বা ছাত্রীর অভিভাবককে দেয়া হবে ৷ অভিভাবকের আয় অনুযায়ী ঋণের পরিমাণ নিধাᐂরন করা হয় ৷
• এ লোন স্কিম থেকে আগ্রহীরা ১-৩ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারেন৷
• পরিশোধের সর্বোচ্চ সময়সীমা ২ বছর৷
• এ জন্য প্রাইম ব্যাংকে শতকরা ১৫ শতাংশ হারে সুদ প্রদান করতে হয়৷
• শিক্ষাথী©কে তার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিতে হবে ৷ এবং খরচেরপরিমাণের ভিত্তিতে
• লোন দেয়া হয়ে থাকে ৷

ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড থেকে শিক্ষাঋণের শর্তসমূহ:
ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে এইচডিএসনামের স্কিমের আওতায় পণ্যসামগ্রীর মূল্যের এক-চতুর্থাংশ ডাউন পেমেন্টনিয়ে লোন দেয়৷
এ জন্য অবশ্য প্রতি বছর ১২.৫০ শতাংশ এবং সুপারভিশন চার্জহিসেবে ২ শতাংশ হারে শোধ করতে হয়৷
এখানে মাসিক কিস্তিতে সর্বোচ্চ ২ বছরের মধ্যে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করেত হয়৷

বেতনভুক্ত চাকুরীজীবিদের ব্যক্তিগত ঋণ প্রকল্প
বাংলাদেশের চাকুরীজীবিরা সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠী৷ অনেকেই তাদের নিজস্ব সঞ্চয়বা সীমিত আয়থেকে নিজের বা পোষ্যদের বিবাহ, চিকিত্‌সা, সন্তানদের শিক্ষা ওঅন্যান্য জরুরি ব্যয় বহনে অসমর্থ৷ এই জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা দানেরউদ্দেশ্যে উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড বেতনভুক্ত চাকুরীজীবিদের ব্যক্তিগত ঋণপ্রকল্প (Personal Loan Scheme for Salaried Officers) চালু করেছে৷

(ক) প্রকল্পের উদ্দেশ্য:
সীমিত আয়ের বেতনভুক্ত চাকুরীজীবিদের সুস্বস্থ্য, সন্তানদের শিক্ষা ও সুখী জীবন উন্নয়নই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য৷

(খ) যে সব ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ দেওয়া যাবে:
চাকুরীজীবির নিজের বা পোষ্যের বিয়ের জরুরি ব্যয়৷
চাকুরীজীবির জরুরি সার্জিক্যাল অপারেশন/চিকিত্‌সা ব্যয়৷
সন্তানদের জরুরি শিক্ষাসংক্রান্ত ব্যয় যেমন-ভর্তি, বই কেনা, পরীক্ষার ফিস ইত্যাদি৷
ব্যাংকের নিকট গ্রহণযোগ্য অন্যান্য জরুরি প্রয়োজন৷

(গ) যারা এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ পেতে পারেন:
২০ (বিশ) থেকে ৫৫ (পঞ্চান্ন) বছর বয়স সীমার মধ্যে নিম্নে বর্ণিত সার্ভিসগ্রুপের কর্মরত স্থায়ী চাকুরীজীবিগণ এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ সুবিধাগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারেন:

১) সরকারি৷
২) আধা-সরকারি৷
৩) স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান৷
৪) যৌথসংস্থা৷
৫) ব্যাংক (উত্তরা ব্যাংক লিঃ এর চাকুরীজীবিগণ ব্যতীত)৷
৬) বীমা কোম্পানী
৭) সশস্ত্রবাহিনী, বি,ডি,আর, পুলিশ এবং আনসার বিভাগ৷
৮) বিশ্ববিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও সরকারি স্কুল শিক্ষক৷
ঌ) মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী৷
১০) ব্যাংকের নিকট গ্রহণযোগ্য অন্যান্য খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান৷
(ঘ) ঋণের পরিমাণ:
সর্বচ্চো টাঃ ১.০০ লক্ষ৷
(ঙ) ঋণ পরিশোধের মেয়াদ:
ক্ষেত্র বিশেষে নির্ধারন যোগ্য কিন্তু ৩ (তিন) বছরের অধিক নয়৷

(চ) সুদ ও অন্যান্য চার্জ:
১) সুদ: ১৬.৫% চক্রবৃদ্ধি হারে বকেয়া কিস্তির উপর কিন্তু ১০ টাকার কম নয়৷
২) দন্ড সুদ: মাসিক ২% হারে বকেয়া কিস্তির উপর কিন্তু ১০ টাকার কম নয়৷
৩) সার্ভিস চার্জ: ঋণের পরিমাণ ৫০,০০০.০০ টাকা পর্যন্ত টাঃ ২৫০.০০ এবং৫০,০০০.০০ টাকার উর্ধ্বে টাঃ ৫০০.০০ (ঋণ প্রদানের পূর্বে এককালীন দেয়)৷
৪) রিন্ক ফান্ডঃ ঋণের অংকের ২% কিন্তু সর্বনিম্ন টাঃ ৩০০.০০ (অফেরতযোগ্য) ঋণ গ্রহণের পূর্বে এককালীন দেয়৷
৫) আবেদন পত্র ও প্রসপেকটাস: মূল্য টাঃ ২৫.০০ (অফেরতযোগ্য)৷
(ছ) ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি:
মূল ঋণ ও ইহার উপর অর্পিত সুদ সমান মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে৷ ঋণগ্রহণের পরবর্তী মাস থেকে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে ঋণ গ্রহিতার মাসিকবেতন থেকে কিস্তি আদায় করা হবে৷ ঋণ গ্রহণের পূর্বে গ্রাহক প্রতিটি কিস্তিরজন্য ব্যাংকের অনুকূলে অগ্রিম চেক জমা দিবে যা নির্দিষ্ট তারিখে সংশ্লিষ্টব্যাংকে পরিশোধের জন্য পেশ করা হবে৷ ঋণ গ্রহণের পূর্বেই ঋণ পরিশোধের সময় ওকিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে৷

(জ) জামানত ও চার্জ ডকুমেন্টস:
১) ঋণ গ্রহিতার বেতন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রেচুয়েটি ইত্যাদি লিয়েন (Lien) পত্র৷
২) ১৫০.০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল ষ্টাম্প এর উপর ব্যাংকের অনুমোদিতগ্যারান্টি বন্ড যাহা ঋণ গ্রহিতার উপরের পদমর্যাদা সম্পন্ন অফিসার, যে কোনোব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার এবং তার উপরের পদমর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তাকর্তৃক প্রদেয়৷
৩) বেতন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিশ্চয়তা পত্র৷
৪) ব্যাংকের অনুমোদিত ফরম এ মাসিক কিস্তি পরিশোধের অঙ্গীকার নামা প্রদান৷
৫) গ্রাহক কর্তৃক ঋণ গ্রহণের পূর্বে প্রতিটি কিস্তির জন্য পৃথকভাবে ব্যাংকের অনুকূলে অগ্রিম চেক প্রদান৷
৬) ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী অন্যান্য চার্জ ডকুমেন্টস৷
ঝ) ঋণ আবেদন পদ্ধতি:
১) ব্যাংকের নির্ধারিত ফরম এর সকল কলাম পূরন ও স্বাক্ষরযুক্ত আবেদনপত্র৷
২) প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার অথবা কোনো ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার বাতদুর্ধ পদমর্যাদার কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্টসাইজ ফটো৷

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ