ইভেন্ট ব্লগিং
অন্য সাধারন ব্লগিং এর মতই ইভেন্ট ব্লগিং এক ধরনের ব্লগিং। ইভেন্ট ব্লগিং একটি নির্দিষ্ট দিন , এক সাপ্তাহ বা এক মাসের জন্য হতে পারে। এক দিনের আপনার ব্লগে লক্ষ ট্রাফিক জেনারেট করার জন্য ইভেন্ট ব্লগিং অনন্য। খুব অল্প সময়ে আপনি খুব সহজেই বড় অংকের টাকা আয় করতে পারবেন । আপনি যদি ইভেন্ট ব্লগিং নিয়ে অবগত না থাকেন তবে আপনার কাছে এটি অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে । আশা করছি এই পোষ্টটি পড়ার পর আপনার এই ভুল ধারনা কেটে যাবে । আসুন শুরু করা যাক ।কেন ইভেন্ট ব্লগিং করবেন
ধরুন আজকে ঈদের দিন । আপনার কাছে ল্যাপ্টপ বা স্মার্টফোন আছে। আপনি স্বাভাবিকভাবেই আপনার বন্ধুদের মেসেজ পাঠিয়ে উইশ করবেন। কিন্তু আপনার কাছে মেসেজ রেডি নাই । আপনি গুগল এ সার্চ করবেন । EID MESSAGES, EID WISH ইত্যাদি ইত্যদি
এবার আপনার বন্ধুর কথা চিন্তা করুন তিনিও একই কাজ ই করবেন । এইবার পুরা মুসলিম বিশ্বের কথা চিন্তা করুন , কত শত কোটি মানুষ তার প্রিয়জঙ্কে বন্ধুবান্ধবকে উইশ করার জন্য মেসেজ খুজবে।এবার আপনার ওয়েবসাইটের কথা চিন্তা করুন । আপনার ওয়েবসাইটটি যদি এসইও করে প্রথমে আনতে পারেন , সার্চ ইঞ্জিনে যদি প্রথমে থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর সংখ্যা কেমন হতে পারে। আমি নিশ্চিত আপনি ভাবতে পারছেন না । জি হ্যা এটাই ইভেন্ট ব্লগিং।
আপনি ত মামা কোটিপতি হয়ে গেলেন । প্রতিদিন যদি এই পরিমান ভিজিটর ঢুকে একদিন আপনি গুগলরে ফেলাইয়া দিবেন ভাবতেছেন । হা হা ……। আসলে এরপরের দিন আপনার সাইটে ভিজিটর আসবে না । প্রায় শুন্যের কোটায় নেমে আসবে । ইভেন্ট ব্লগিং এর মজা অই একদিন বা এক সাপ্তাহ বা এক মাস ই পেতে পারেন । এরপর আর পাবেন না। তবে এর থেকে আয়কৃত টাকা চাইলে সারাবছর খেতে পারবেন
আমি ইভেন্ট ব্লগিং করতে চাই কিন্তু টপিক্স খুজে পাই না
কি যে বলেন না ভাই, আচ্ছা এখন হচ্ছে নভেম্বর মাসের শেষ । আগামী মাসে কি কি ইভেন্ট আছে বলেন তো ? ক্রিষ্টমাস আছে আন্তর্জাতিকভাবে । থার্টি ফার্ষ্ট নাইট আছে। আরে ভাই এইগুলা তো বড় টপিক্স । আমি ছোট মানুষ । ছোট খাট কোন টপিক্স বলেন না ভাই ।আগামী মাসে বাংলাদেশে কি কি আছে বলেন তো ? কই কিছু নাই তো । আপনি ভাই বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন । আমাদের বুদ্ধিজীবি দিবস আছে বিজয় দিবস আছে এইগুলা নিয়ে সার্চ হবেই । বিজয় দিবসের জন্য অনেকেই বাংলাদেশের পতাকা ফেসবুক ওয়ালে দিবে। অনেকেই ওইদিন দেশ প্রেম দেখাইয়া কিছু হিস্ট্রি ঘাটাঘাটি করবে আবার অনেকেই কপি পেষ্ট মাইরা অনেক কিছু শেয়ার করবে। এখনো বুঝেন নাই , খাড়ান আপনারে আমি বুঝাই ।আইচ্ছা বাঙ্গালাদেশে পরীক্ষা কয়টা কন তো ? এখনো বুঝেন নাই, আরে ভাই আগামী মাসে JSC , PSC পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে । জনগন ধুমাইয়া সার্চ দিবে। আপনি থাকতে পারলেই কেল্লা ফতে।ওহ, পোলাপাইন এখন অনেক স্মার্ট। এখন তারা বিভিন্ন গ্রুপ করে, ফেসবুকে গ্রুপের কথা কইতেছি। ওই গ্রুপ গুলাতে সব টার্গেটেড পোলাপাইন । কিছুক্ষন আগে আমার ওয়ালে দেখালাম, একটা ইভেন্ট নাম হচ্ছে ভার্সিটি ভর্তি যুদ্ধ। এইগুলা টার্গেট করেন নারে ভাই ।
মাত্র কয়েকটা ইভেন্টের নাম বললেন আর কই
মিয়া আপনার মাথায় বুদ্ধি গেছে গা পুরাই। চলে বিপিএল , আসবে আইপিএল , থার্টি ফার্শট নাইটে মানুষ কক্সবাজার যাইবো , ফুরফুর ফুর্তি করার লাইগা থুক্কু শোনার লাইগা। হোটেলের নাম জানে না, মারব গুগল সার্চ , কোথায় কোথায় কন্সার্ট হচ্ছে তার নাম জানার লাইগা সার্চ দিব , ওহ হো আগামী মাসে নতুন বছরের পর স্কুলে ভর্তির জন্য সেরা স্কুল গুলার নাম জানতে চাইয়া সার্চ দিব । আরো কত কি ?এইত গেলে দেশের অবস্থা ! বিদেশে গেলে কি কম হবে ? বিশ্বে দেশের সংখ্যা কম না । এইটা একটা দেশ কে টার্গেট করেন তাহলেই হবে। আরো কাহিনি আছে আগামী মাসে বলিউডে নতুন মুভি মুক্তি পাইব ! নাম দিয়ে সার্চ হইব। নতুন মোবাইল বাইর হইব সেইটা লইয়া সার্চ মারব। টম ক্রুজ আগামী মাসে পর্ন মুভি !!! বাইর কইরা ফেলব সার্চ মারব আরো কত কি ! আগামী মাসে রিও দি জেনেরিও তে পরিবেশ বিদরা বসব । এটা নিয়েও সার্চ হইবআর কইতে পারুম না ! এখন না বুঝলে আপনার জন্য ইভেন্ট ব্লগিং আসে নাই । আর যারা বুঝছেন তারা কিছুক্ষন জিরাই লন । এরপর আইতেছি
ইভেন্ট ব্লগিং কয়দিনের জন্য হতে পারে
আসলে এটা নির্ভর করে কত দিন চলবে সেটার উপর । অলিম্পিক নিয়ে করলে অলিম্পিক যতদিন চলে ততদিন, ক্রিষ্টমাস নিয়ে করলে একদিন বা দুইদিন হায়েষ্ট এক সাপ্তাহ । ঈদ নিয়ে করলে চাদ রাতেই শুধু বাজি ফুটব ।#ইভেন্ট ব্লগিং কতদিন আগে শুরু করা উচিতইভেন্ট ব্লগিং শুরু করার নির্দিষ্ট ডেট বলা আসলে কঠিন । কারন আপনার মতই অনেকেই এই কাজের জন্য বসে আছে। তবে এটলিস্ট গুগলকে ইন্ডেক্সিং এর সময় দিতে হবে। রেংকিং এ আনার জন্য টাইম দিতে হবে ।নতুন ডোমেইনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৪৫ দিন আগে শুরু করতে পারেন । পুরাতন ডোমেইনের ক্ষেত্রে ১৫/২০ দিন আগেই করা যায় ।
আপনার জন্য কোণ ইভেন্টটি প্রযোজ্য
ইভেন্ট যত বড় কম্পিটিশন তত বেশি। কোন ইভেন্টটি আপনার জন্য সেটা আপনাকেই নিশ্চিত করতে হবে, এর জন্য আপনার এসইও জ্ঞান ও অন্যান্য দক্ষতা উপর বিবেচনা করে ইভেন্ট নির্বাচন করুন ।
ইভেন্টের জন্য কি ওয়ার্ড রিসার্চ
কি ওয়ার্ড রিসার্চের অনেক টুলস আছে। তার মধ্যে জনপ্রিয় টুলস গুগল কি ওয়ার্ড প্লানার । এটা ব্যবহার করতে পারেন । বর্তমানে কি ওয়ার্ড প্লানার এক্সাক্ট ভলিউমটা পেইডে যাওয়া ছাড়া দেখায় নাই। আর জানি অলরেডি বিকল্প পদ্ধতি আপনাদের কাছে আছে । সো সেখান থেকে কি ওয়ার্ড নির্বাচন করুন । অবশ্যই যে কান্ট্রির জন্য কি ওয়ার্ড নির্বাচন করতেছেন সেই কান্ট্রিতে গত বছর এই দিনে গুগল ট্রেন্ড দেখে নিবেন
ডোমেইন নেম
এসইও এর ক্ষেত্রে গুগল বলে যদিও ডোমেইনের ভুমিকা নাই । আপনার কন্টেন্ট ভাল হলেই রেংক করবে । তবে ইভেন্ট ব্লগিং এর ক্ষেত্রে এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন নিতে পারেন । এতে ক্লিকের পরিমান বেড়ে যাবে । আর দ্রুত রেংক করতে সুবিধা হবেআপনি চাইলে যে দেশের ইভেন্ট সে দেশের কান্ট্রি এক্সটেনশন ও নিতে পারেন । যেমন বাংলাদেশের জন্য ডট কম ডট বিডি
হোষ্টিং নির্বাচন
যেহেতু একদিনেই অনেক ভিজিটর ঢুকবে তাই হোষ্টিং এর ব্যন্ডউইডথের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। চাইলে ব্লগার ডট কম ও ব্যবহার করতে পারেন । যে কোণ কোম্পানির হোষ্টিং ব্যবহার করতে পারেন
এসিও শুরু
কিওয়ার্ড রিসার্চঃ যদিও কি ওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে বলেছিলাম অল্প খানি। এবার একটু বাড়াইয়া বলি । কিভাবে পাবেন স্বপ্নের কি ওয়ার্ড । স্বপ্নের কি ওয়ার্ড পাইতে খুব বেশি দেরী করতে হবে না । গুগল এডওয়ার্ড ইস দ্যা বেস্ট ।। এছাড়াও ইউবার সাজেশট টুলস , সুভল আরো অনেকগুলা আছে। আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি। আগেই বলি জানি কম চাপাবাজি বেশি করি তাই কেউ ভুল ধইরেন না । আর ভুল ধরলে নিজে আগে কারেকশন কইরা দেন । আমি আমার যে কোন ধরনের ভুল মাথা পেতে নিব যদি তা যুক্তিযুক্ত হয় ।
কি ওয়ার্ড রিসার্চের জন্য টুলসগুলা যেইগুলা আমি ব্যবহার করি১. গুগল কি ওয়ার্ড প্লানারঃকি ওয়ার্ড পাওয়ার লাইগা সবচেয়ে ভাল বন্ধু তিনি। কেমনে ইউজ করবেন ? মনের মাধুরী মিশাইয়া কি বোর্ড আর মাউসের সহায়তা নিয়ে ইউজ করেন । কোন সমস্যা নাই । তবে খেয়াল রাইখেন, যখন যেখানে যাবেন মানে যেই দেশেকে করতে চান সেই দেশরে সিলেক্ট করতে হবেবুঝেন নাই এখন ও , একটু জিরা পানি খান তারপর বুঝেন, ধরেন আপনি কাজ করতেছেন বাংলাদেশের পিএসসি এক্সাম নিয়ে কান্ট্রি সিলেক্ট করছেন ট্রাম্পের । মানে আমেরিকা। তাইলে কি আর কি ওয়ার্ড পাবেন । বাংলাদেশ সিলেক্ট কইরা তারপর কাজ করবেন ।২. কি ওয়ার্ড এভরি হয়্যার টুলস ঃ https://keywordseverywhere.com/এইডারে কয় একটা এক্সটেনশন । আগে কনফিগ কইরা লন তারপর যেখান যা কিছু সার্চ দিবেন সবগুলার সাথে আপনার সার্চ ভলিউম দেখাই দিব । ধরেন আপনার নাম লিখে সার্চ দিলেন সাথে সাথে এইটা দেখাইয়া দিব আপনার নামে কত বার সার্চ হয়গুগলের সার্চের নিচে রিলেটেড কিওয়ার্ড গুলা আছে না । সেখানেও দেখাই দিব কয়বার সার্চ হয়। আরো অনেক সেন্সেশন মানে মজা পাইবেন এই এক্সটেনশন থেইকা।৩. Ubersuggest.ioএইটা আর উপরের এক্সটেনশন মিশাইয়া(মানে উপরের এক্সটেনশনটা থাকলে) সার্চ কতবার হইছে আর সহজে পাওয়া যায় আর কি৪. Answerthepublic ঃ এইটা মেইনলি আপনার আর আমার মত যারা কিছু বুজে না তাদের জন্য কাজে লাগে। বল্টু পাগলের মত কি কি প্রশ্ন করে গুগলের কাছে (মানে সার্চ দেয় সেগুলআ) এখানে দেখবেন । কন্টেন্ট লিখার সময় এইগুলার আইডিয়া নিয়ে নিতে পারেন৫. Soovleঃ গতির সাথে নো কম্প্রোমাইজ। ইউজ কইরা দেখেন সেই মজা ।
এইগুলা ছাড়াও আরো হাজার হাজার টুলস আছে। সেগুলা ইউজ করতে পারেন । যেমন মোজ় , Ahef, এসই এমরাশ, কি ওয়াররড রিভিলার সহ আরো অনেক কিছু।
কয়টা কিওয়ার্ড লাগবে
আপনে যতটারে মেইন্টেন করতে পারেন ততটা হইলেই হয়। সবার লাইগা আলাদা কন্টেন্ট লাগবে ) তবে আমার ক্ষেত্রে ৮/১০ টা হইলেই হয়। এনার্জি (লেখার এবিলিটি ) কম তাই
কি ওয়ার্ড নির্বাচন শেষ । এবার কাম শুরু করার পালা। হোষ্টিং যদিও এর আগে বলেছি , এটা আপনার ইচ্ছা মত করতে পারেন । আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করি । যেহেতু একদিনে ভাল ভিজিটর আসবে তাই এত ব্যান্ডউইডথ আর সার্ভার আপ টাইম টা খেয়াল রাখবেন ।Blogger যেহেতু এইটা গুগুলের সার্ভিস তাই সেটা নিয়ে সমস্যা নাই। ব্যান্ড উইডথের টেনশন নাই। সিকিউর । ভাল একটা টেম্পলেট দেইখা আপ করে দিবেন । গুগুল সার্চ কন্সোলে ফেলাই দিবেন তাইলেই হইল ।ওয়ার্ড প্রেস আমি ইউজ করি কেন তাইলে ? । যে যেমনে মজা পায়। আপনার যেইটা ভাল লাগে সেইটাই করেন । সাইট আপনার পছন্দ ও আপনার।
কেমনে সাইট সাজাবেন (কন্টেন্ট লিখবেন )
আপনার পছন্দের সবগুলা কি ওয়ার্ড ঘিরে আপনার সাইট। খেয়াল রাখবেন আপনার কি ওয়ার্ড যেন বাদ না যায়। ট্রাফিক যেন হারাইয়া না যায়। প্রতিটি কিওয়ার্ড নিয়েই আলাদা আলাদা ভাবে পোষ্ট লিখুন । প্রতিদিন আপডেট দেন । পারলে একদিনে ২/৩ বার ও দেন কূনো ছমছ্য নাই গা।চেষ্টা করবেন যেন ৪০-৫০ টা রুম (পোষ্ট থাকে)। তয় রুম বড় হলে ২৫-৩০ টাদিয়েও হয়।
ব্যাকলিংক
যতগুলা পারেন করেন সমস্যা নাই। তবে মনে রাখবেন এইগুলা যেন গুগলে ন্যাচারালি ইন্ডেক্স হয়। আমি যেটা করি রুট ডোমেইন খুজে নেই । অবশ্যই নিজের সাথে প্রাসংগিক হতে হবে । নাহলে সমস্যা । গুগুল আপনারে স্পামিং কইয়া পশ্চাত দেশে মারিব লাথি।
সোশ্যাল সিগন্যাল
প্রতিটা দেশের জন্য আলাদা আলাদা সোশ্যাল মিডিয়ারে টার্গেট করেন । বুজেন নাই, ধরেন বাংলাদেশরে নিয়া আপনি কাম করতেছেন তাহলে ভাল হচ্ছে ফেসবুক টুইটার ও গুগুল প্লাস। আবার কোন কোণ দেশে ভিকে ডট কম জনপ্রিয়। আবার কোণ দেশে আর একটা। ঐ দেশের কোনটা জনপ্রিয় সেটা এলেক্সাতে রেংকিং দেইখা ঠিক করেনআপাতত এইটা গিলেন ।
এর পরের টপিক্স এ যা লিখব
-
অনপেজ এসইও
-
হেডিং অপ্টিমাইজেশন
-
মেটা ডিস্ক্রিপ্সশন অপ্টিমাইজেশন
-
বিং অপ্টিমাইজেশন
-
এএমপি
-
স্ট্রাকচার্ড ডাটা
-
ইমেজ অপ্টিমাইজেশন
-
কন্টেন্ট অপ্টিমাইজেশন
-
ব্যাক্লিংক পদ্ধতি
-
ওয়েব ২
-
ইমেইল মার্কেটিং
-
সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে আরো ডিটেইলস
-
রেংকিং
-
এডসেন্স
-
লিড কালেকশন
-
সিপিএ
-
এফিলিয়েট
এডসেন্স সিটিয়ার কেমনে ভাল রাখবেন তা নিয়ে আলোচনা করব। জিনিসগুলা অনেক বড়। লিখতে সময় লাগবে ।
অনপেজ এসইও
এটা ইভেন্ট ব্লগিং এর সাথে যুক্ত করে ফেলেছি কিন্তু এটা মোটেও ইভেন্ট ব্লগিং এর অংশ নয় বরং সব ধরনের ব্লগিং এর অংশযে কোন ওয়েবসাইটের এসইও করতে গেলে আপনাকে প্রথম কাজ অনপেজ এসইও জানতে হবে। অনপেজ এসইও এর অনেক ধরনের এলিমেন্টস আছে । হেডলাইন সাব হেড লাইন, ছবি কন্টেন্ট বোল্ড আউট বাউন্ড লিঙ্কের ব্যবহার ইত্যাদি ইত্যাদি । পুর্নাংগ লিখার জন্য অনেক সময়ের প্রয়োজন । তাই আমি মুল কন্সেপ্টটা লিখে দিচ্ছি
হেডিং অপ্টিমাইজেশন
হেডিং বলতে আমরা যা বুজি কোন আর্টিকে বা প্রবন্ধের হেডলাইন । একটা আর্টিকেল যখন আপনি লিখবেন তখন তার মধ্যে কিছু এইচটিএমএল এলিমেন্ট ব্যবহার করতে হয়। এরকম ই কিছু এলিমেন্টস এলিমেন্টস h1, h2, h3, h4, h5, h6আপনার কন্টেন্টের জন্য এই হেডিং এলিমেন্ট গুলা গুরুত্বপুর্ন। আপনি যখন কন্টেন্ট লিখবেন তখন অবশ্যই মনে রাখা উচিত একই কন্টেন্টে একাধিক h1 ব্যবহার করবেন না । গুগল সাহেব তা ভাল চোখে দেখে না।এরপর দুই তিনটি সাব হেডিং h2 দিতে পারেন । বাকি গুলা h3 h4 h5 ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।
কিভাবে নির্বাচন করবেন এই সাব হেডিং গুলাপ্রথম এবং আর্জেন্ট কথা হেডিং নির্বাচনের জন্য সেটা হবে আপনার সাইটের কন্টেন্টের সাথে প্রাসংগিক করবেন । নাহলে লাভ নাই ।এমন ভাবে ব্যবহার করবেন তা যেন ভিজিটরের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষ্ম হয়। পারলে কোনভাবে এই হেডিং গুলাকে হাই লাইট করে দিবেন ।হেডিং এর নিচে যেই আর্টিকেল লিখবেন সেটা যেন কোনভাবেই ২০০-২৫০ ওয়ার্ডের চেয়ে বেশী না হয়। কেন ? হলে সমস্যা কি ?বাংলা রচনা ছোটবেলায় সবাই কম বেশি পড়ছি। মনে পড়ে বড় বড় পয়েন্ট গুলা আমাদের পড়তে কষ্ট হত। দেখতে ভয় লাগত। এখানেও সেম। ভিজিটর চায় সার কথাটা । সে আপনার চেহেরা আসে নাই তার দরকার ইনফরমেশন। আর কিছু নাআমি তো ইনফরমেশন ই দিচ্ছি। আসুন আর একটু ভাল করে বুঝিয়ে দেই, বাংলা মিডিয়ামের যেই বই গুলা আছে সেই গুলার সাথে আন্তর্জাতিক ইংলিশ মিডিয়ামের বই গুলার কথা চিন্তা করুন ।কি থাকে সেসব বই গুলা তে। বাংলা বইয়ে বিশাল প্রবন্ধ লিখে। কিন্তু ইংরেজি বই এ সুন্দর চিত্র থাকে। সহজেই দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। খুব সহজে হয় বলে এই জিনিস গুলা আমাদের অনেক সময় পড়তে ভাল লাগে।আন্তর্জাতিক মান বাদ দেন উপন্যাস পড়তে গিয়ে পথের পাচালি যতটা স্লো মনে হয় কমিক্স বই ততটাই আনন্দ দায়ক হয়। ঠিক এই কারনেই আর্টিকেল বা প্যারা গুলা ছোট করবেনহেডিং গুলা দেওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন
-
প্রাসংগিক
-
কি ওয়ার্ডের ব্যবহার
-
দেখেই যেন বুঝা যায় এর ভিতরে কন্টেন্টে কি কি আছে
Comments (No)