এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

ফাইভারে কাজ পাওয়ার কিছু টিপ্স জেনে রাখুন

অনেকেই ফেসবুকে জিজ্ঞেস করেন ভাই ফাইভারে গিগ বানাইছি কিন্তু কাজ পাইনা।
যে কারনে কাজ পাচ্ছেন নাঃ আপনার গিগ লিমিট ৭ টা আপনি গিগ বানাইছেন ২-৩ টা তাও একি টাইটেল দিয়ে। গিগ এর ছবি গুগল থেকে ডাউনলোড করে বসিয়ে দিছেন। গিগ এর ডেসক্রিপশন ঠিক নাই। অনেক ভুল। আপনার প্রতিদিনের বাইয়ার রিকুয়েস্ট লিমিট ১০ আপনি মনে হয়না ১ টাও ঠিক করে দেন।

ফাইভারে

যা করবেনঃ

১। ৭ টা সম্পূর্ণ আলদা সার্ভিস যা আপনি দিতে পারবেন ভাল ভাবে ৭ টা আলাদা গিগ বানাবেন। একটা আরেকটার সাথে যেন মিন না থাকে। যেমনঃ আমি গান লিখে দিতে পারি, আর আমি গানে সূর দিতে পারি। এরকম করলেও চলবে।

২। টাইটেল রুচি সম্পন্ন হতে হবে। টাইটলেই যদি ভুল করেন ক্লিক করে ভিতরে কি আছে দেখবে কেউ? মনে করেন সফটেক আইটি একটি চায়ের দুকান আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে যাবেন ওখানে? সফট এর সাথে টেক, এর সাথে আইটি আছে দেখেই যে কেউই ধারনা করে নেবে যে এটি একটি আইটি বিষয়ক প্রতিস্ঠান।

৩। টাইটেল এর সাথে সম্পৃক্ততা রেখে যতো দূর পারেন ডেসক্রিপশন লিখবেন এবং অবশ্যই নিরভুল ইংরেজি ব্যবহার করবেন। প্রয়োজনে ইংরেজিতে ভাল এমন ৩ জন পরিচিত লোককে দিয়ে ভাল ভাবে চেক করে নিবেন। আবার দেইখেন আমি গান গাইতে পারি লিকে এর ডেসক্রিপশন আমি গাছে চড়তে পারি লিখবেন না। আমি অল্প হারমুনিয়াম, তবলা, দুতারা বাজাইতে পারি লিখলেও চলবে।

৪। গিগ এর ট্যাগ গুলা খুবই ইম্পরট্যান্ট। সঠিক ট্যাগ না দিলে আপনার গিগে ট্র্যাফিক আসবে না। হ্যা বাইয়ার রিকুয়েস্ট করে বা অন্যান্য সোর্স থেকে ট্র্যাফিক আনতে পারবেন কিত্নু ফাভার থেকে আপনি ট্র্যাফিক পাবেন না।

৫। গিগ রিলেটেড ছবি বানবেন ফোটসপ দিয়ে। যদি না পারেন তাহলে গুগল থেকে ১০-১৫ টা ছবি ডাউনলোড করবেন এবং হাল্কা এডিট করে নেবেন। যেমন নিজের নাম, গিগ রিলিটেড একটা বাক্য, কালার পরিবর্তন করতে পারেন যদি মার্জিত মনে হয়।

৬। ফাইভার টিম বলে গিগ এ ভিডিও থাকলে ৩০০% বেশি সেল হয়। ? আসুন কি ভাবে ভিডিও বানাতে হয় যেনে নেই। ভাল ক্যমেরার সামনে মাস্কা মেরে দারাবেন ব্যাকগ্রাউন্ড ভাল হতে হবে। যে গিগ এর ভিডিও সে গিগ এর ডেসক্রিপশন এর হেডিংস গুলো পড়ে নেবেন। অবশ্যই এক্সক্লুসিভ্লি অন ফাভার বলতে হবে না হলে ভিডিও বাতিল করে দেবে। আর যাদের আমার মতো ক্যামেরার সামনে যাইতে বুক দরপর করে তারা যা করেবেনঃ বিভিন্ন ভিডিও মেকার দিয়ে ভিডিও তৈরি করে গিগ এ অ্যাড করতে পারেন।

৭। গিগ বানিয়ে বসে থাকলে হবে না। আপনাকে প্রতি দিন ১০ টা বাইয়ার রিকুয়েস্ট করতে হবে। আর হ্যা এখানেই আপনারা সব থেকে বড় ভুলটা করেন। এই জায়গায় ই যতো কেরামতি বলেন আর ভাগ্য বলেন। আপনি কভার লেটার কি ভাবে লিখলেব আর কি লিখলেন এর ওপর নির্ভর করে বাইয়ার আপনাকে ইনবক্সে নক করবে কি না। অর্থাৎ ১৫% গিগ এর কুয়ালিটী ৩৫% কভার লেটার = ৫০% কাজ আসার অগ্রগতি।
বাকি থাকে ৫০% আর তা সম্পূর্ণ রূপে আপনার কনভারসেসানের ওপর নির্ভর করে।

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ