এসোআয়করি ডট কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় অনলাইন আয়মূলক ব্লগ। ৩০০০০+ মেম্বার প্রায় ৬৫০০ পোস্ট লিখেছেন online earings বিষয়ে। Freelancing বা Online income কে সহজ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আপনও আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে আপনার Outsourcing অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন নতুন freelancer দের সাথে।

ফেসবুকের নতুন ৯

ফেসবুকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আগেও ছিল, এখনো আছে। তবে নতুন অ্যালগরিদমের পরে অনেক শব্দই এখন নিজের ইচ্ছামতো লেখার সুযোগ থাকছে না। অপ্রীতিকর শব্দগুলো লেখা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে বাধা তৈরি করবে। ফলাফল অবশ্য কিছুটা ভিন্ন হয়েছে। মনে করুন, আপনি ইংরেজিতে এমন কোনো শব্দ লিখতে চান, যাতে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু শব্দটির মধ্যে অক্ষরের সমন্বয়ে অন্য কোনো শব্দ লুকিয়ে আছে, যা অপ্রীতিকর। আপনি চাইলেও সে শব্দটি লিখতে পারবেন না। ছবির ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভুলের কারণে অনেক ছবি পোস্ট করা থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে। এখানে এমন নয়টি বিষয়ের উল্লেখ করা হলো, যা ফেসবুকে পোস্ট করতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ অনেক ব্যবহারকারীর। বিজ্ঞাপনে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে উল্লেখ করে কিছু লিখতে পারবেন না। মনে করুন, আপনি শার্ট বিক্রি করেন। বিজ্ঞাপনে এই ‘শার্টটি ভালো’ বলার সুযোগ থাকলেও ‘শার্টটি ভালো— গ্রেগ’ লেখার সুযোগ নেই। বাবা-মা শখ করে আপনার নাম মার্ক জাকারবার্গ রাখলেও আপনি সে নামে সহজে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। ফেসবুকে যোগাযোগ করে প্রথমে আপনাকে বোঝাতে হবে যে আপনার নাম আসলেই মার্ক জাকারবার্গ এবং এ নামেই অ্যাকাউন্ট খুলতে চান। ফেসবুক যদি আপনার সে ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়, তবেই সে নাম ব্যবহারের সুযোগ পাবেন আপনি। একই কথা অন্য তারকাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সেলেনা গোমেজ কারও নাম হলেও ফেসবুকে সে নাম ব্যবহারে অনেক ঝামেলা হয়। একই ব্যবহারকারীর একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা আগেও নিষিদ্ধ ছিল। তবে খুব একটা কড়াকড়ি ছিল না। এখন এ বিষয়ে ফেসবুক খুব কঠোর নিয়ম মেনে চলছে। ফেসবুকের নিয়মনীতিগুলো অবশ্য ব্যবহারকারীর ভালোর জন্যই। তবু কিছু কিছু বিষয়ে যেন বিরক্তিকর ঠেকে অনেকের কাছে। মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ছবি শেয়ার করা যাবে না। কারণ, তা ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একে নগ্নতা বলে গণ্য করে। নারীবাদী হওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানিয়েছেন অনেকে। দিয়া নামের এক সমাজকর্মীর অ্যাকাউন্ট এ জন্য বেশ কয়েকবার ব্লক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। নিজের সন্তানের অদ্ভুত ছবি পোস্ট করা যাবে না। লরেন ফেরারি নামের এক ব্যবহারকারী ফেসবুকে তার পাঁচ বছরের শিশুর ছবি দিয়েছিলেন, যেখানে সে নার্সের ভূমিকায় অভিনয় করছে। এমন নিরীহ ছবি পোস্ট করাও এখন অনেক ঝামেলার। গত বছরের নভেম্বরে প্যারিস হামলার পরে জেসন ম্যানফর্ড নামের এক ব্যবহারকারীর ফেসবুক প্রোফাইল ছবি বেশ কয়েকবার সরিয়ে ফেলা হয়। কারণ, তার সে ছবিতে নানা রঙে বেশ কয়েকটি বাক্য লেখা ছিল। ফেসবুক ব্যবহারের নীতিমালায় উল্লেখ আছে, আপনি এমন কোনো বিষয়বস্তু পোস্ট করতে পারবেন না যাতে ভয়ভীতি, ঘৃণা কিংবা অপ্রীতিকর কিছু প্রকাশ পায়। এমন কোনো ছবি পোস্ট করতে পারবেন না, যা দৃশ্যমান সহিংসতা কিংবা নগ্নতা প্রকাশ করে। ফেসবুকের এই নিয়ম এমনিতে ঠিকঠাক মনে হলেও অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তাঁরা অনেক ব্যক্তিগত কথাও লিখতে পারছেন না। স্বাধীন মত প্রকাশেও বাধা তৈরি করছে বলে অভিযোগ অনেকের।

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ