প্লেজিয়ারিজম কাকে বলে – Plagiarism

আজকের দিনে ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমাণে ওয়েবসাইট রয়েছে। এবং বেশিরভাগ ওয়েবসাইটের মালিক একে অন্যের কপি করে ওয়েবসাইট চালিয়ে থাকে। যেটি হল এক ধরনের চুরি বাপ্লেজারিজম

প্লেজিয়ারিজম হলো আজকের দিনে সবথেকে বড় সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে আপনাকেও প্লেজিয়ারিজম সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। না হলে আপনিও না জেনে content প্লেজিয়ারিজম এর শিকার হতে পারেন। এবং আপনাকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে।

এই জন্য আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের, প্লেজারিজম মানে কি, প্লেজিয়ারিজম কাকে বলে এবং কিভাবে চেক করবেন এই সম্পর্কে ইনফরমেশন দেবো।

প্লেজারিজম মানে কি?

অন্য ব্যক্তির কোন লেখা জিনিস বা অন্যের তৈরি ছবি, গান, ভিডিও ইত্যাদি – অরিজিনাল মালিকের অনুমতি ছাড়া, এইসব জিনিস ব্যবহার করাকে প্লেজারিজম বলা হয়।

ধরুন আমি আমার ব্লগে কোন আর্টিকেল লিখেছি। এবং যেহেতু এটি আমি লিখেছি তাই আমার লেখা আর্টিকেলটির অধিকার শুধুমাত্র আমার।

এখন অন্য কোনো ব্যক্তি যদি আমার অনুমতি ছাড়া আমার ব্লগ থেকে কোন জিনিস তুলে নিয়ে, সে তার ব্লগে ব্যবহার করে তাহলে এটি হলো এক ধরনের চুরি। এই চুরি করা টিকেই প্লেজারিজম বলা হয়।

প্লেজিয়ারিজম কাকে বলে?

যখন অন্যের content বা video বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা হয় তখন সেটিকে প্লেজিয়ারিজম বলে।

আজকাল ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমাণে কনটেন্ট রয়েছে। যদি আপনি তাদের অনুমতি ছাড়া এই সমস্ত কনটেন্ট ব্যাবহার করে, দুজনে একই কাজ সম্পন্ন করেন তাহলে সেটি প্লেজিয়ারিজম হবে।

প্লেজিয়ারিজম কয় প্রকারের হয় ও কি কি

প্লেজিয়ারিজম তিন প্রকারের হয়ে থাকে। সেগুলি হল –

  1. Verbatim Plagiarism
  2. Patchwor Plagiarism
  3. Self Plagiarism

১. Verbatim Plagiarism

যদি আপনি কোন লেখক এর লেখা, সোজাসুজি copy paste করে ব্যবহার করেন তাহলে এটিকে Verbatim plagiarism বলা হয়।

যেহেতু এই ধরণের plagiarism, directly copy এবং paste করা হয় তাই এটিকে copy paste plagiarism ও বলা হয়ে থাকে।

যদি আপনি এই ধরনের প্লেজিয়ারিজম থেকে বাঁচতে চান তাহলে, অবশ্যই অন্য লেখকদের লেখাটি copy করবার পর Quote (“) দিয়ে লিখতে হবে। এবং জিনিসটি যেখান থেকে কপি করছেন তার source url দিতে হবে।

২. Patchwor Plagiarism

যখন দুই-তিনটি ব্যক্তির লেখা একত্রে কপি করে, সেগুলিকে এক জায়গায় মিলিত করে নতুন জিনিস তৈরি করা হয়, তখন এটিকে Patchwor Plagiarism বলা হয়।

ধরুন ইন্টারনেটে অনেক ধরনের ওয়েবসাইটে একই বিষয় নিয়ে অনেক জায়গায় লেখা থাকে। আপনি নতুন কিছু লেখার জন্য প্রত্যেকটি সাইট থেকে কিছু কিছু অংশ তুলে নিয়ে, আপনার লেখায় যোগ করলেন। তাহলে এর ফলে যে Plagiarism টি তৈরি হবে, সেটি Patchwor Plagiarism এর মধ্যে পড়বে।

৩. Self Plagiarism

যদি আপনি নিজের পুরনো কিছু লেখা, কপি করে সেটিকে আবার নতুনভাবে কোনো জায়গায় paste করেন, তাহলে এটি হবে Self Plagiarism।

অনেক সময় বিভিন্ন লেখক, তাদের পুরনো কিছু বিষয় নিয়ে লেখা জিনিস কে modify না করে, নতুন করে সেই পুরোনো জিনিস copy করে, একই লেখা লিখে দেয়। তাই এটা হল এক ধরনের প্লেজিয়ারিজম।

প্লেজিয়ারিজম কিভাবে চেক করবেন?

যদি আপনি বিনামূল্যে, আপনার আর্টিকেলের প্লেজিয়ারিজম চেক করতে চান তাহলে ইন্টারনেটে আপনিPlagiarism checker websiteপেয়ে যাবেন।

তবে সবথেকে জনপ্রিয় যে ওয়েবসাইট টি রয়েছে সেটি হলhttps://plagiarismdetector.net/ ।

জনপ্রিয় কিছু প্লেজিয়ারিজম চেকার ওয়েবসাইট

আমি ওপরেই বলেছি বর্তমানে সব থেকে জনপ্রিয় যে প্লেজিয়ারিজম চেকার ওয়েবসাইট টি রয়েছে, সেট হলোhttps://plagiarismdetector.net/ ।

এটি ছাড়াও আপনি আরো কিছু প্লেজিয়ারিজম চেকার ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। সেগুলি হলো –

  • https://smallseotools.com/plagiarism-checker/
  • https://www.prepostseo.com/plagiarism-checker
  • https://www.duplichecker.com/
  • https://searchenginereports.net/plagiarism-checker
  • https://www.check-plagiarism.com/

আমাদের শেষ কথা:

আশাকরি উপরে ইনফর্মেশন থেকেপ্লেজারিজম বলতে কি বুঝায়, প্লেজারিজম মানে কি, প্লেজিয়ারিজম কাকে বলে – কিভাবে চেক করবেনএই সমস্ত কিছু সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যদি এখনও আপনার মনে এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে আপনি কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন।

Comments (No)

Leave a Reply

এই সাইটের কোন লেখা কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ