এই সাইটের কোন লেখা কপি করা নিষেধ

ব্যবহার করুণ বায়োস্প্রে প্লাস আর সুস্থ-সবল থাকুন আমরণ

আপনি কি চান আপনার:

*তারুন্য ধরে রাখতে? *কম বয়সী অনুভব করতে? *শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে? *শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে? *রোগ প্রতিরোধ প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে? *প্রয়োজনীয় শক্তি অনুভব করতে এবং *আরো সজিব বোধ করতে? *রোগ মুক্ত সুস্থ শরীর রাখতে?

আপনি আপনার তারুন্য আবার ফিরে পেতে এবং ধরে রাখতে পারেন …..

বৃদ্ধাবস্থা প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ ডা: ড্যানিয়েল রুডম্যান বলেছেন যে, বৃদ্ধাবস্থা হল একটি রোগ। এই রোগের নাম হল গ্রোথ হরমোন ঘাটতির সিনড্রোম। এটি এখন প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য। বৃদ্ধাবস্থার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট অনেক লক্ষনের একটি হল গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি। এছাড়াও অন্যান্য লক্ষণগুলো হল:

১. ত্বক কুচকে যাওয়া ২. চুল পাকা ৩. অতিরিক্ত মেদ বৃদ্ধি ৪. দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ৫. মানসিক কর্মশক্তি হ্রাস ৬. শারীরিক কর্মশক্তি হ্রাস ৭. ঘুমে ব্যঘাত ঘটা ৮. স্বরণশক্তি হ্রাস ৯. হৃদ রোগের ঝুকি ইত্যাদি।

কিভাবে শরীরের গ্রোথ হরমোন (HGH) এর মাত্রা ঠিক রাখা যায়?

১. ইনজেকশন বা ঔষধ এর মাধ্যমে সিনথেটিক HGH গ্রহণ।

২. প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে যাতে এ্যামিনো এসিড আছে।

ডক্টর রোনাল্ড ক্লাজ প্রণীত “Grow young with HGH” বইতে উল্লেখিত চিকিৎসা গবেষণা মোতাবেক অতি প্রয়োজনীয় এ্যামিনো এসিড হল- এল-আরজিনিন, এল-অরনিথিন, এল গ্লুটামিন ও এল-লাইসিন

বিশ্বব্যাপী ২৮,০০০ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় HGH এর যে উপকারিতা পরিলক্ষিত হয়েছে তা হলো-

* বৃদ্ধাবস্থা রোদ করে *পেশী বৃদ্ধি করে *হাড় ক্ষয় রোদ করে *হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়ার উন্নতি ঘটায় *কোলেস্টরেলের মাত্রা কমায় *যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে *দুর্বল পেশীকে সবল করে *জীবনীশক্তি ও মেধাশক্তি বৃদ্ধি করে *প্রাণ শক্তি বৃদ্ধি করে *অস্থির ঘনত্ব বৃদ্ধি করে *ফুসফুসের হার্টের ক্রিয়ার উন্নতি করে *রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে *অগ্নাশয়ের (Pancreas) কার্যক্ষমতা সচল রাখে *শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমায় *ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ও মসৃনতা বাড়ায়

হিউম্যান গ্রোথ হরমোন (HGH) কি?

হিউম্যান গ্রোথ হরমোন (HGH) হল একটি হরমোন যা আমাদের মগজের গভীরে পিটুইটরি গ্লান্ড থেকে উৎপন্ন হয়। আমাদের মগজের গভীরে যেখান থেকে প্রচুর পরিমাণ নি:সৃত হরমোনের মধ্যে এটি অন্যতম যাকে শরীরের Master হরমোন বলে। এটা শরীরের কোষ, অস্থি, মাংসপেশী ও অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে ও সচল রাখে।

HGH ব্যবস্থাপত্র এবং বায়োস্প্রে প্লাস ফর্মুলার মধ্যে পার্থক্য কি?

চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ব্যবস্থাপত্র হল, একটি সিনথেটিক HGH এর ব্যবস্থাপত্র। এতে প্রতি মাসে প্রায় ১৫০০ মার্কিন ডলার খরচ হয়। শুধুমাত্র ধনী ব্যক্তিরাই এই ধরনের HGH এর খরচ বহন করতে পারে। এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় এবং এর একটি সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে এবং ব্যবহারকারী এই ইনজেকশনের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন।

অপরদিকে,

এবিনিউট্রিক এর শতকরা ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ ও প্রাকৃতিক গুনাগুন সম্পন্ন বায়োস্প্রে প্লাস সম্পর্কে আপনি আশ্বস্থ হবেন যে, এতে এমন কোনো উপাদান নেই যাতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে বরং HGH এর সকল প্রতিক্রিয়া প্রাপ্ত হবেন। গরুর দুধের ক্লোস্ট্রাম (শাল দুধ) হতে নি:সৃত এ্যামিনো এসিড ও IGF-1 এর পুন: সমন্বয়ের মাধ্যমে বায়োস্প্রে প্লাস তৈরি হয় যা রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়ে একযোগে কাজ করে।

কিভাবে IGF-1 কাজ করে?

IGF-1 সোমাটোমেডিন নামেও পরিচিত। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড হতে গ্রোথ হরমোন নি:সৃত হওয়ার সাথে সাথে আমাদের যকৃত (লিভার) IGF-1 উৎপন্ন করে। IGF-1 উৎপন্ন হওয়ার কারণে গ্রোথ হরমোনের সকল প্রভাব আমাদের শরীরে পরিলক্ষিত হয়।

লিভার হতে উৎপন্ন হওয়া IGF-1 আমাদের শরীরের কোষ বৃদ্ধি ঘটাতে বিভিন্ন টিস্যুর উপর কাজ রতে থাকে। IGF-1 ইপিডারমাল (ত্বক) সহ আমাদের শরীরের বিভিন্ন কোষ বৃদ্ধি কাজ করে যা প্লাটিলেট ডিরাইভড (রক্ত) রক্ত, পেশী, নার্ভ, সিলিয়ার নিওরোট্রফিক (কোষ) প্রবৃদ্ধির উপাদান।

কেন আমাদের নিজস্ব HGH এর নি:সর প্রয়োজন?

যদি আমরা নিজস্ব HGH এর নি:সরনের মাত্রা ১০০ মাইক্রো গ্রাম /লি./দিন থেকে ২০০ মাইক্রো গ্রাম /লি./দিন পর্যন্ত বাড়াতে পারি তাহলে আমরা আমাদের বার্ধ্যকের সময়কালকে প্রায় ১০ বছর পর্যন্ত পিছিয়ে দিতে পারি।

বায়োস্প্রে প্লাস এর উপাদানসমূহ:

১. এল-আরজিনিন- ৫০,০০০ ন্যানোগ্রাম, ২. এল-অরনিথিন- ১০,০০০ ন্যানোগ্রাম, ৩. এল-গ্লুটামিন- ৬০, ০০০ ন্যানোগ্রাম, ৪. এল-লাইসিন- ৭০,০০০ ন্যানোগ্রাম, ৫. আইজিএফ-১- (ক্লোস্ট্রাম থেকে)- ১২,০০০ ন্যানোগ্রাম, ৬. গাভীর প্রসব পরবর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে পাওয়া ক্লোস্ট্রাম লিকুইড (শাল দুধ) যাতে বিদ্যমান থাকে-

* ৩ ধরনের ইমিউন ফ্যাক্টর, * ৩ ধরনের গ্রোথ ফ্যাক্টর, * ২২ ধরনের এ্যামিনো এসিড, * ১০ ধরনের ভিটামিন, * ১০ ধরনের মিনারেল।

উপরের ছবিটিতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাবেন

আধুনিক বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কার বলছে বায়োস্প্রে প্লাস ব্যবহার করে আমরা যেমন শারীরিক সুস্থতা লাভ করতে পারি তেমনি আমাদের বার্ধক্যকেও পিছিয়ে দিতে পারি। কারণ বায়োস্প্রে প্লাস হচ্ছে এমস একটি ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট এবং ক্লোস্ট্রাম লিকুইড এর সমন্বয় যা ৪৮ প্রকার নিউট্রেন্ট এর মাধ্যমে আপনার শরীরের কোষগুলোকে আরো সচল করে রাখবে।

নিচের লিংকে ক্লিক করে ভিডিওটি দেখুন

এখানে ক্লিক করুন 

বায়োস্প্রে প্লাস এর ব্যবহারবিধি:

১. জিহবার নিচে ৩/৫ বার স্প্রে করে ২ মিনিট মুখ বন্ধ করে রাখুন। এর পরে গিলে ফেলুন।

২. ৩/৫ মিনিট পর দুই গ্লাস পানি পান করুন।

৩. প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে নিয়মিত দুইবার ব্যবহার করুন।

আরেকটি ভিডিও দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করেন:

এখানে ক্লিক করুণ

নিয়মিত ব্যবহারে একটি বোতল প্রায় ৩০ দিন বা ১ মাস ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকালীন সময়ে পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে।

বায়োস্প্রে প্লাস প্রোডাক্টটির মূল্য ৭০০০ টাকা (একদাম)

মোট ২২৫ চাপ ( ৫*৩ বেলা দৈনিক ১৫ চাপ) তার মানে একজন ইর্মাজেন্সি রোগী এটা ১৫ দিন ব্যবহার করতে পারবেন। আর নরমাল রোগীর জন্য (৩*৩ বেলা দৈনিক ৯ চাপ) তার মানে একজন নরমাল রোগী এটা ব্যবহার করতে পারবেন ২৫ দিন। এভাবে হিসেব করলে একজন রোগী ১ মাস পর্যন্ত একটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পারবেন।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করেন-

https://www.tkincome.com

প্রচারে মূসা মিয়া, সিলেট।

যোগাযোগ:

০১৭৪১-৭৪৩২৮৯

Comments (No)

Leave a Reply